তুরস্কের কর্তৃপক্ষ সিরিয়ার সাথে যুদ্ধ করতে যাচ্ছে না, সাধারণভাবে কারুর সঙ্গেই নয়. এ সম্বন্ধে গত সোমবার বলেছেন তুরস্কের উপ-প্রধানমন্ত্রী ব্যুলেন্ট আরিঞ্চ. গত সপ্তাহে সিরিয়ার বাহিনীর দ্বারা তুরস্কের সামরিক বিমান ধ্বংসে এমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে আঙ্কারা.একই সঙ্গে,আরিঞ্চ উল্লেখ করেন যে, তুরস্ক এ ঘটনাকে পরিণতি-হীন ভাবে ছেড়ে দিতে চায় না. আঙ্কারা প্রয়োজনীয় সব কিছুই করবে, তবে আন্তর্জাতিক বিধানের ধারাগুলি কঠোরভাবে পালন করে, জোর দিয়ে বলেন তিনি. এ সম্বন্ধে মঙ্গলবার দেশের পার্লামেন্টেও বলতে চান প্রধানমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন ন্যায় ও বিকাশ পার্টির নেতা রেজেপ তাইপ এর্দোগান. বিমান ধ্বংসের প্রত্যুত্তরী ব্যবস্থা হিসেবে তুরস্ক, তাছাড়া, সিরিয়ায় বিদ্যুত্শক্তি সরবরাহ করা বন্ধ করার সম্ভাবনাও বিবেচনা করছে. তুরস্ক তাছাড়া সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আসদের তাড়াতাড়ি পদত্যাগের জন্য প্রচেষ্টা সক্রিয় করতে চায়, জানিয়েছে স্থানীয় প্রচার মাধ্যম. প্রসঙ্গত, সিরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও একটি তুর্কী বিমানের উপর গোলা বর্ষণ করেছে, যা ২২শে জুন সিরিয়ার বাহিনীর দ্বারা ধ্বংস করা “এফ-৪” “ফ্যান্টম” ফাইটার বিমানের অংশগুলির অনুসন্ধান করছিল. তুরস্কের অনুরোধে ন্যাটো জোটের পরিষদ মঙ্গলবার সমবেত হবে, সিরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দ্বারা তুরস্কের বিমান ধ্বংসের বিষয়টি আলোচনার জন্য. ব্রাসেলসে এক উত্স “ইন্টারফাক্স” সংবাদ এজেন্সিকে বলেছে যে, পরামর্শের মানে “মোটেই এ নয় যে, কোনো অভিযানের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে”. তাঁর কথায়, পরিষদের দ্বারা কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণের সম্ভাবনা কম. তবে, এ ঘটনা সম্বন্ধে এবং সিরিয়ায় ক্ষমতাসীন শাসন ব্যবস্থার ব্যবহার সম্বন্ধে জোটের মতামত সূত্রবদ্ধ হতেই পারে.