পশ্চিমী প্রচার মাধ্যমগুলি পশ্চিমী কূটনীতিজ্ঞদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে যে, রাষ্ট্রসঙ্ঘ সিরিয়ায় নিরস্ত্র পর্যবেক্ষকদের মিশন হ্রাস করার সম্ভাবনা আলোচনা করছে. পশ্চিমী কূটনীতিজ্ঞদের কথায়, রাষ্ট্রসঙ্ঘের পর্যবেক্ষক মিশনের সামরিক অংশ হ্রাস করা হতে পারে অথবা এমনকি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে, এ দেশে হিংসা বৃদ্ধির জন্য. সিরিয়ায় থেকে যেতে পারে শুধু মিশনের বেসামরিক অংশ যোগাযোগ বজায় রাখার কাজের জন্য. আশা করা হচ্ছে যে, ২রা জুলাই নাগাদ রাষ্ট্রসঙ্ঘ ও আরব রাষ্ট্র লীগের বিশেষ প্রতিনিধি কোফি আনন রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ায় পর্যবেক্ষক মিশন নিয়ে কি করা যেতে পারে সে সম্পর্কে সুপারিশ পেশ করবেন. কূটনীতিজ্ঞদের কথায়, পর্যবেক্ষকদের সংখ্যা হ্রাস ছাড়াও অন্যান্য ব্যবস্থাও গৃহীত হতে পারে: তাদের সংখ্যা অপরিবর্তনীয় থাকতে পারে, তাদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে অথবা পর্যবেক্ষকদের অস্ত্রে সজ্জিত করা হতে পারে. কোফি আননের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এপ্রিল থেকে সিরিয়ায় অগ্নি সংবরণ ঘোষণা করা হয়েছে, যা পালনের প্রতি লক্ষ্য রাখার কথা রাষ্ট্রসঙ্ঘের পর্যবেক্ষকদের. তবে, সঙ্ঘর্ষ-লিপ্ত পক্ষগুলি নিয়মিত নতুন নতুন সশস্ত্র ক্রিয়াকলাপ ও হতাহতের খবর দিচ্ছে. ১৬ই জুন পর্যবেক্ষক মিশনের প্রধান জেনারেল রবার্ট মুড জানান যে, রাষ্ট্রসঙ্ঘের পর্যবেক্ষকরা নিজেদের কার্যকলাপ স্থগিত রাখছে এ দেশে হিংসা বৃদ্ধির জন্য. রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ মিশনকে ম্যান্ডেট দিয়েছে ২০শে জুলাই পর্যন্ত.