চীন ইরানী তেলের আমদানি যথেষ্ট কমিয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এড়াতে পারে, যা বলবত্ হবে ২৮শে জুন থেকে. এ সম্বন্ধে বৃহস্পতিবার জানিয়েছে ইতার-তাস সংবাদ এজেন্সি, মার্কিনী পররাষ্ট্র সচিব হিলারী ক্লিন্টনের বিবৃতির উদ্ধৃতি দিয়ে. ক্লিন্টন মনে করিয়ে দেন যে, মার্কিনী আইন অনুযায়ী, তাঁকে সরকারীভাবে জানাতে হয়, সেই সঙ্গে কংগ্রেসকে, কোন কোন দেশ ইরান থেকে তেলের সরবরাহ হ্রাস করেছে. যারা তা করে নি এবং ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের সাথে হিসেব চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আর্থিক লেন-দেন নিষিদ্ধ. ক্লিন্টনের কথায়, আগে ইরানী তেল কেনা কমিয়েছে ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া. তিনি বলেন, শেষ প্রাপ্ত তথ্য বিচার করে বলা যায় যে, চীনও এ দিকে এগুচ্ছে. আগে চীন ইরানের তেল রপ্তানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ কিনত. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাছাড়া আগে তুরস্ক, দক্ষিণ আফ্রিকা, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও তাইওয়ানের বিরুদ্ধে নতুন বাধা-নিষেধ প্রবর্তন না করার সিদ্ধান্ত, যারা বিপুল পরিমাণে ইরানের তেল আমদানি করত. অন্যান্য দেশকে ইরানের তেল কেনা ত্যাগ করতে বাধ্য করে ওয়াশিংটন আশা করছে যে, ইরানকে তার পারমাণবিক কর্মসূচির চরিত্র বদলাতে বাধ্য করার এবং তার শান্তিপূর্ণ চরিত্র সুনিশ্চিত করার. একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক মধ্যস্থ ছয় দেশের কাঠামোতে ইরানের সাথে কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যেতে চায়. ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত আলাপ-আলোচনায় মধ্যস্থ ছয় দেশের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া আছে – রাশিয়া, চীন, গ্রেট-বৃটেন, ফ্রান্স ও ফেডারেল জার্মানি.