অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে গ্রেট-বৃটেনে থাকা “উইকিলিক্স” পোর্টালের প্রতিষ্ঠাতা, অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক জুলিয়ান আস্সাঞ্জ-কে কনস্যুল সাহায্য দিতে চায়. এ সম্বন্ধে বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিল্লার্ড মেক্সিকো-তে শেষ হওয়া “জি-২০” শীর্ষ সাক্ষাতের ফলাফল সংক্রান্ত সাংবাদিক সম্মেলনে. আস্সাঞ্জ নিজে গত মঙ্গলবার ইকোয়েডরে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে লন্ডনে এ দেশের দূতাবাসে আবেদন করেছেন. ইকোয়েডরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিকার্ডো পাতিনো ইতিমধ্যে বলেছেন যে, ইকোয়েডর এ আবেদন অধ্যয়ন ও বিশ্লেষণ করছে, আর এ সময়ে আস্সাঞ্জ থাকবে দূতাবাসের এলাকায়, ইকোয়েডরের কর্তৃপক্ষের “রক্ষাধীনে”. গ্রেট-বৃটেন থেকে উইকিলিক্সের প্রতিষ্ঠাতাকে সুইডেনে পাঠানোর ভয় আছে, যেখানে তাঁর বিরুদ্ধে দুই নারীকে বলাত্কার করার অভিযোগ তোলা হয়েছে. আস্সাঞ্জ এ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন. ইকোয়েডরের রাষ্ট্রপতি রাফায়েল কোরেয়া-র কাছে চিঠিতে আস্সাঞ্জ নিশ্চয়োক্তি করেছেন যে, উইকিলিক্সে তাঁর কাজের জন্য রাজনৈতিক কারণে তাঁকে তাড়না করা হচ্ছে. আস্সাঞ্জের পরিচালনায় উইকিলিক্স সাইট কেলেঙ্কারী-মূলক খ্যাতি অর্জন করে ২০১০ সালে পেন্টাগন, পররাষ্ট্র বিভাগ এবং অন্যান্য মার্কিনী রাষ্ট্রীয় সংস্থার গোপন দলিল প্রকাশের পরে.