জার্মানী শুধু বিশ্বের প্রথম দশ নেতৃস্থানীয় দেশের মধ্যেই থাকতে চায় না, বরং চায় যত বেশী সম্ভব দল গত ভাবে পদকজয়ীর তালিকার উপরের দিকে থাকা যায়, তার ব্যবস্থা করতে. তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আগের মতই রয়েছে ইংল্যান্ড, এই কথা রেডিও রাশিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে বলেছেন জার্মানীর জাতীয় অলিম্পিক কমিটির সরকারি মুখপাত্র ক্রিস্টিয়ান ক্লাউয়ে.

এখন অলিম্পিকের দলে প্রায় ৪০০ খেলোয়াড় রয়েছেন. আমাদের লক্ষ্য – নেতৃস্থানীয় জায়গা ধরে রাখা. বেজিংয়ে আমরা দল গত ভাবে পঞ্চম স্থান পেয়েছিলাম, আর আমরা এটা ধরে রাখতে চাই. আমাদের লক্ষ্য প্রথম পাঁচের মধ্যেই থাকা – বলেছেন ক্রিস্টিয়ান ক্লাউয়ে.

- আপনারা সবচেয়ে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ বলে কাদের মনে করেছেন?

আমাদের এই রকমের দেশ বেশ কয়েকটি রয়েছে. শুধু দেখুন – আমাদের বেজিংয়ে ১৬ জন স্বর্ণ পদক জয়ী ছিলেন, আর তারা সকলেই লন্ডনে যাচ্ছেন, যেখানে আশা করবো যে, সেই রকমের ফলই তাঁরা করবেন. কিন্তু এটা গ্যারান্টি দিয়ে বলা সম্ভব নয়.

- আপনি কি মনে করেন, কোন দেশ গুলি প্রথম পাঁচটি দেশের মধ্যে থাকবে?

আমি মনে করি যে, প্রথম তিন নেতৃস্থানীয় দেশ এমনিতেই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চিন. আরও দেশ রয়েছে, যারা ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯ ও ১০ নম্বর জায়গার জন্য লড়াই করবে. জার্মানী ও ইংল্যান্ড এদের মধ্যে অবশ্যই রয়েছে.

- অর্থাত্ আপনাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড?

হ্যাঁ, একটি প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ, এছাড়াও থাকবে জাপান, ফ্রান্স ও সেই সমস্ত দেশ যাদের ক্ষমতা কাছাকাছি.

- অলিম্পিক সম্বন্ধে জার্মানীর লোকদের ধারণা কি? তাঁরা কি দেশের দলকে সমর্থন করেন?

আপনারা কি গত অ্যাথলেটিক্স বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপের কথা মনে করতে পারেছেন, যা জার্মানীতে হয়েছিল আর যেখানে জার্মানী খুব ভাল করেছিল. গত বছরে আমাদের ববস্লে ও মাউন্টেন স্কি প্রতিযোগিতায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপে ফল ভালই হয়েছিল. যে কোন খেলোয়াড়ই জার্মানীতে এলে, সঙ্গে সঙ্গে টের পায় সমর্থন. জার্মানরা সমস্ত অন্তর দিয়েই খেলাধূলাকে ভালবাসে.