বহু সহস্র মানুষ বাহরিনে রাস্তায় বেরিয়েছিল প্রতিবাদ করতে. আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য পুলিশকে কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করতে হয়েছে. প্রতিবাদকারীরা আবার মানবাধিকার রক্ষাকর্মী নাবিল রাজাবকে গ্রেপ্তার করায় ক্ষুব্ধ. মে মাসের শুরুতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় অনঅনুমোদিত সমাবেশের আয়োজন করার অভিযোগে. তাকে জামিনে খালাস করা হয়, কিন্তু জুনের শুরুতে সোস্যাল নেটওয়ার্কে তার করা মন্তব্যের অজুহাতে আবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে. রাজাব সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য সমানাধিকার দাবী করছে. বাহরিনের শাসন ক্ষমতায় আছে সুন্নীরা. দেশের শুধুমাত্র ২৫ শতাংশ লোক সুন্নী সম্প্রদায়ভুক্ত. অধিকাংশ মানুষই দেশে শিয়া সম্প্রদায়ভুক্ত.