যে সমস্ত দলিল গুলি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে সদস্য দেশ গুলির নেতাদের স্বাক্ষরিত দীর্ঘস্থায়ী শান্তি পূর্ণ ও সামগ্রিক ভাবে সমৃদ্ধিশালী অঞ্চল গঠনের ঘোষণা, মাঝারি পাল্লার সময়ের মধ্যে সংস্থার দেশ গুলির  উন্নয়ন ও বিকাশের মূল দিক গুলি নিয়ে পরিকল্পনা.

এছাড়া আরও অনেক গুলি বিষয়ে দলিল স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে আঞ্চলিক, স্থিতিশীলতা, শান্তি ও নিরাপত্তার প্রশ্নে কোন সমস্যার উদয় হলে, তা নিয়ে কিভাবে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ভাবে প্রতিক্রিয়া করা হবে ও কি ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চরমপন্থা, বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদ রোধের জন্য সম্মিলিত ভাবে নেওয়া পরিকল্পনা. সংস্থার সাধারন সম্পাদকের বিগত সময়ের কাজ কর্মের রিপোর্ট গ্রহণ করা, সন্ত্রাস মোকাবিলা নিয়ে তৈরী আঞ্চলিক পরিষদের রিপোর্ট গ্রহণ করা হয়েছে.

আফগানিস্তানকে পর্যবেক্ষক দেশ ও তুরস্ককে আলোচনার সহকর্মী দেশের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে. আঞ্চলিক সন্ত্রাস মোকাবিলা দপ্তরের ডিরেক্টর নির্বাচনের প্রক্রিয়া পদ্ধতি এখানে সম্মিলিত ভাবে নেওয়া হয়েছে.