রাশিয়া ও চিনের স্ট্র্যাটেজিক ভাবে সহকর্মী হিসাবে কাজ একটি অভূতপূর্ব উচ্চতায় পৌঁছেছে, আর দুই দেশের সম্পর্ক সমস্ত ক্ষেত্রেই তৈরী করা হচ্ছে এক পারস্পরিক ভাবে লাভজনক ভিত্তিতে ও সেই ক্ষেত্রে খুবই উচ্চ পর্যায়ের ভরসা ও খোলামেলা ভাব রয়েছে, বেজিং সফরে গিয়ে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন এই কথা বলেছেন. এই প্রসঙ্গে তিনি বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন যে, আসন্ন বছর গুলিতে মস্কো ও বেজিং এক নতুন সীমানার কাছে পৌঁছবে.

 আশা করা হয়েছে যে, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমান তিন বছর পরে হবে ১০ হাজার কোটি ডলারের সমান ও ২০২০ সালে হবে ২০ হাজার কোটি ডলার. বিনিয়োগ, পরিকাঠামো নির্মাণ, দুই দেশের রাজ্য গুলির মধ্যে সরাসরি বাণিজ্য বিনিময় ও জ্বালানী, ভারী শিল্প, ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ক্ষেত্র গুলি ছাড়াও এইবারে রাশিয়া ও চিন দূর পাল্লার বিরাট আকারের বিমান ও ভারী হেলিকপ্টার তৈরী করার কাজ দ্রুত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ও এই সমস্ত মর্মে বহু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে.

 রাশিয়া ও চিনের সম্পর্ক বিগত বছর গুলিতে শুধু বিকশিত হয়েছে, আর তা হয়েছে বহু রকমের বিভিন্ন ক্ষেত্রেই. রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বহু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার প্রশ্নে মস্কো এবং বেজিং এর মনোভাব একই রকমের, অংশতঃ সিরিয়াতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য, ইরান ও উত্তর কোরিয়ার পারমানবিক রিপোর্ট সম্বন্ধেও. আজ থেকে বেজিংয়ে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষবৈঠক শুরু হতে চলেছে.