রুশ-মার্কিন “মিলিতভাবে বিপদ হ্রাস” কর্মসূচি অনুযায়ী, সোভিয়েত আমলের পারমাণবিক ডুবোজাহাজের ইউটিলিটির কাজ প্রকৃতপক্ষে শেষ হতে চলেছে. এক-দু বছরের মধ্যে বাকি চারটি এমন ডুবোজাহাজও কেটে ফেলা হবে, বুধবার “ইন্টারফাক্স” সংবাদ এজেন্সিকে জানিয়েছেন রাশিয়ার বিজ্ঞান অ্যাকাডেমির উপ-সভাপতি অ্যাকাডেমিশিয়ান নিকোলাই লাভেরোভ পারমাণবিক বিপর্যয় নিরোধ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক লাক্সেমবার্গ সম্মেলনে, যা শেষ হয়েছে বার্লিনে. সেই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, ডুবোজাহাজগুলি কাটার কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ হয় নি. লাভেরোভের কথায়, বিশেষ জটিল জিনিসগুলি নিয়ে সবচেয়ে জটিল এবং দায়িত্বপূর্ণ কাজ এখনও রয়েছে. ডুবোজাহাজের খোল পরিষ্কার করা হচ্ছে. প্রধান ব্যাপার – সমস্ত জ্বালানী ও রকেট ভাণ্ডারে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে জমা করা হয়েছে. এখন কাজ প্রধাণত চলছে সেখানে, যেখানে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ডুবোজাহাজ ও জ্বালানী ছিল, বলেন তিনি সংবাদ সংস্থাকে. লাভেরোভ ব্যাখ্যা করে বলেন যে, এ কাজটি তাড়াতাড়ি করা যায় না, কারণ জাহাজগুলি ডুবে রয়েছে, সেগুলিকে তুলতে হবে. রুশ-মার্কিন “মিলিতভাবে বিপদ হ্রাস” কর্মসূচি বিদ্যমান রয়েছে ১৯৯৪ সাল থেকে তা অনুযায়ী, ২০০টিরও বেশি পারমাণবিক ডুবোজাহাজ এবং তার ২২০-২৩০টি রিয়াক্টর এবং পারমাণবিক অস্ত্রের বস্তুর ইউটিলিটি করার কথা ছিল. কয়েকটি জাহাজে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পরিশোধন করা জ্বালানী ছিল উন্মুক্ত তথ্য অনুযায়ী, একটি ক্রুজারের ইউটিলিটির খরচ এক কোটি ডলার, তার মধ্যে ২০ লক্ষ দেওয়া হচ্ছে রাশিয়ার বাজেট থেকে, আর বাকি অর্থ দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা.