রুশী গবেষণা কেন্দ্র ‘রোমির’ রুশবাসীদের কাছে জানতে চেয়েছে, যে যদি তারা ১০ লক্ষ ডলার লটারীতে জেতে, তাহলে কিভাবে সেই অর্থ ব্যয় করবে. ঐ জনসমীক্ষায় দেড় হাজার শহুরে ও গ্রামীন রুশবাসী অংশ নিয়েছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে.

    এক-তৃতীয়াংশ রুশবাসী লটারী জেতা অর্থ বাড়িঘর, গাড়ি ও দামী জিনিষ কেনার পেছনে খরচা করতে চায়. এরকম মতামত ব্যক্ত করেছে মহিলা ও পুরুষরা বিভিন্ন বয়সের ও বিভিন্ন সমৃদ্ধির. দেখা গেল, যে গ্রামের লোকেরা ও বয়স্ক মানুষরা এর পেছনে কম ছোটে.

       ২৫ শতাংশের সামান্য কম রুশবাসী নিজের শিক্ষা অথবা সন্তানদের শিক্ষার খাতে, স্বাস্থ্যোদ্ধারের খাতে পয়সা খরচা করতে চায়. ঐ ধরনের ব্যয়ের ব্যাপারে পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের বেশি আগ্রহ. বয়স বাড়ার সাথে সাথেও ঐ ধরনের আকাঙ্খা বাড়ে.

          অধিকাংশ রুশবাসীদের অনুপাতে, প্রত্যেক ৮ জন রুশবাসীর মধ্যে ১ জন জেতা অর্থ ব্যাঙ্কে ডিপোসিট রেখে সূদে জীবিকী নির্বাহ করতে চায়. কেবলমাত্র ১১ জনের মধ্যে ১ জনের বাণিজ্যিক উদ্যোগ আছে. ঐ সব উত্তরদাতারা বলেছে, যে যদি ১০ লক্ষ ডলার জেতে, তাহলে ব্যবসা চালু করবে. ব্যবসা চালু করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে মুলতঃ গঞ্জের অধিবাসী তরুন পুরুষরা. একই সাথে লক্ষ করা গেছে, যে শিক্ষার স্তর ও আয়ের হার ব্যবসার প্রতি আগ্রহের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই প্রতিফলিত হয় না.

  রুশবাসীরা ১০ লক্ষ ডলার কিভাবে খরচা করবে, সে ব্যাপারে অন্যান্য মতামতও ব্যক্ত করেছে. কেউ কেউ প্রমোদ ভ্রমণে যেতে চায়, কেউ কেউ দাতব্যের খাতে খরচা করতে চায় লটারীতে জেতা অর্থ, আর কিছু লোক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নের পেছনে পয়সা ব্যয় করতে চায়.

   গবেষণা কেন্দ্র ‘রোমির’ এ বছরের জনসমীক্ষার ফলাফল ৬ বছর আগেকার সমীক্ষার সাথে তুলনা করেছে. দেখা গেছে, যে রুশবাসীদের সেইসময় থেকে পছন্দ তেমন একটা বদলায়নি. বিশেষজ্ঞেরা বিশেষ করে উল্লেখ করছেন, যে অন্যান্য দেশের বাসিন্দাদের তুলনায় রুশবাসীদের ব্যবসা করার ঝোঁক কম. বোধহয় এটা রুশীদের মনস্তত্বের বিশেষত্ব.