রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন মঙ্গলবার চীনে দু দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে পৌঁছেছেন. এ সফরের ফলাফলের ভিত্তিতে দশটিরও বেশি দলিল স্বাক্ষরিত হবে সহযোগিতার মুখ্য সব ক্ষেত্রে, যেমন জ্বালানী ও বিদ্যুত্শক্তি, শিল্প, নবায়নী প্রকৌশলের ক্ষেত্রে. চীনা পক্ষ আশা করে যে, রাশিয়া ও চীনের রাষ্ট্রনেতাদের আলাপ-আলোচনায় মুখ্য স্থান গ্রহণ করবে জ্বালানী ক্ষেত্রে সহযোগিতা, সেই সঙ্গে রুশ-চীনা গ্যাসের পাইপলাইন নির্মাণ, বলেছেন চীনের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী চেন গোপিন. এদিকে রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আর্কাদি দ্ভোরকোভিচ বলেছেন, আশা করা উচিত্ নয় যে, এ সফরের সময় রাশিয়া ও চীনের মাঝে গ্যাস সরবরাহ সম্পর্কে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে. প্রসঙ্গত, মস্কোয় উল্লেখ করা হচ্ছে যে, চীন রাশিয়ার অতি গুরুত্বপূর্ণ বহির্বাণিজ্যিক শরিক. ২০১১ সালের ফলাফল অনুযায়ী, দ্বিপাক্ষিক পণ্য-আবর্তন ছিল ৮৩৫০ কোটি ডলার, যা ২০১০ সালের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি. পুতিন শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সাক্ষাতে অংশগ্রহণ করবেন, যা বেজিংয়ে অনুষ্ঠিত হবে ৬-৭ই জুন. সফরের প্রথম দিন রাশিয়ার নেতা সাক্ষাত্ করবেন চীনা গণ-প্রজাতন্ত্রের সভাপতি হু জিনতাওয়ের সাথে, তারপর দু দেশের প্রতিনিধিদলের মাঝে আলাপ-আলোচনা পরিকল্পিত. দ্বিপাক্ষিক কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর পুতিন চীনের রাজধানীতে থাকবেন শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সাক্ষাতে অংশগ্রহণের জন্য. সাক্ষাতের কাঠামোতে বেসরকারী সব অনুষ্ঠান শুরু হবে বুধবার, আর খাস শীর্ষ সাক্ষাত্ শুরু হবে বৃহস্পতিবার, ৭ই জুন.