তেহেরানের বিরুদ্ধে ইউরোসঙ্ঘের বাধা-নিষেধের উদ্দেশ্য ইরানে শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন নয়, বলেছেন ইউরোপীয় পরিষদের সভাপতি হেরমান ভান রম্পেই. রাশিয়ার “ইন্টারফাক্স” সংবাদ এজেন্সিকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, বাধা-নিষেধের উদ্দেশ্য হল ইরানকে আলাপ-আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনা. তিনি আরও বলেন যে, বাধা-নিষেধ বজায় রাখা, বাতিল করা অথবা লাঘব করা নির্ভর করবে তেহেরানের দ্বারা পারমাণবিক ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা পালনের উপর. ইউরোপীয় পরিষদের সভাপতি মনে করিয়ে দেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে বলবত্ রয়েছে ইউরোসঙ্ঘের তেলের নিষেধাজ্ঞা, শুধু বিদ্যমান চুক্তিগুলি ছাড়া, যা পুরণ হতে পারে পয়লা জুলাইয়ের মধ্যে. জানুয়ারীর শেষ দিকে ইউরোসঙ্ঘের ২৭টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরান থেকে তেল সরবরাহে নিষেধাজ্ঞা প্রবর্তন অনুমোদন করে. এ বাধা-নিষেধের কাঠামোতে, পয়লা জুলাই থেকে তেহেরানের কাছে তেল কেনা ইউরোসঙ্ঘের সমস্ত সদস্য দেশ ঐ দেশ থেকে তেলের আমদানি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে বাধ্য. নিজের তরফ থেকে ইরানও একাধিকবার ইউরোসঙ্ঘের দেশগুলিতে তেল সরবরাহ সম্পর্কে প্রত্যুত্তরী ব্যবস্থা গ্রহণের হুমকি দিয়েছিল. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পাশ্চাত্যের একসারি অন্য দেশ ইরানকে সন্দেহ করছে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচির আড়ালে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার. তেহেরান এ সব অভিযোগ অস্বীকার করছে এ কথা ঘোষণা করে যে, তার পারমাণবিক কর্মসূচি নির্দেশিত নিছক দেশের বিদ্যুত্শক্তির চাহিদা মেটানোর জন্য.