ইরানের রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আহমাদিনেজাদ “ফ্রান্স ২৪” টেলি-চ্যানেলকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে বলেছেন যে, মস্কোয় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থ “ছয় দেশের” সাথে আলাপ-আলোচনা থেকে “আশ্চর্য কিছুর আশা করছেন না”. সেই সঙ্গে, তিনি বলেন যে, ২০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম পরিশোধন তাঁর জনগণের ন্যায়সঙ্গত অধিকার বলে বিবেচনা করেন. তিনি বলেন, “এটা আমাদের অধিকার. এখানে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরীর দিকে পদক্ষেপের কথা হচ্ছে না”. একই সঙ্গে, আহমাদিনেজাদের কথায়, নির্দিষ্ট শর্তে তাঁর দেশ ইউরেনিয়ামের এমন পরিশোধন ত্যাগ করার জন্য পাশ্চাত্যের দাবি মানতে পারে. তবে তার জন্য ইরানের জানা উচিত, পারমাণবিক জ্বালানী পরিশোধন ত্যাগ করার বদলে সে কি পাবে. গত সপ্তাহে বাগদাদে ইরানের প্রতিনিধিদের সাথে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থ “ছয় দেশের” আলাপ-আলোচনার পরবর্তী রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়েছিল. পক্ষদ্বয় মস্কোয় ১৮-১৯শে জুন গোল-টেবিল বৈঠকে আবার মিলিত হওয়ার ব্যাপারে সমঝোতায় এসেছিল. তেহেরান ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারী থেকে নিম্ন-পরিশোধিত ইউরেনিয়াম উত্পাদন করছে গবেষণার রিয়াক্টরের জন্য জ্বালানী উত্পাদনের উদ্দেশ্যে. পাশ্চাত্য ইরানের কাছে এ কাজ বন্ধ করার দাবি করছে.