পেন্টাগন আশা করছে যে, পাকিস্তান নিকট ভবিষ্যতে আফগানিস্তানে ন্যাটো বাহিনীর জন্য মালপত্র পাঠানোর পথ উন্মুক্ত করবে. এ সম্বন্ধে ওয়াশিংটনে এক ব্রিফিংয়ে বলেছেন পেন্টাগনের প্রতিনিধি জর্জ লিটল. তাঁর কথায়, পাকিস্তানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাপ-আলোচনা চলছে. ইস্লামাবাদ ও ওয়াশিংটনের মাঝে সম্পর্কের তীব্র অবনতি ঘটে গত বছরের ২৬শে নভেম্বর পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমে দুটি প্রহরা-চৌকির উপর ন্যাটো জোটের কয়েকটি সামরিক হেলিকপ্টার থেকে আঘাত হানার পরে. তাতে অন্ততপক্ষে ২৪ জন পাকিস্তানী সৈনিক নিহত হয়েছিল এবং ১৪ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছিল. তার উত্তরে পাকিস্তান নিজের ভূভাগ হয়ে আফগানিস্তানে ন্যাটো বাহিনীর জন্য মালপত্র পাঠানোর পথ বন্ধ করেছিল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দাবি করেছিল গোপন বিমান-ঘাঁটি শামসি ছেড়ে যাওয়ার, যেখানে মার্কিনী ড্রোন বিমানের ঘাঁটি ছিল. ইস্লামাবাদ তাছাড়া রাজনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটের সাথে সমস্ত চুক্তি পুনর্বিবেচনা করার অভিপ্রায়ের কথা ঘোষণা করেছিল. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক পুনরারম্ভ করার অভিপ্রায়ের কথা ঘোষণা করেছিল, কিন্তু এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানী সৈনিকদের হত্যার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে নি, এ ঘটনার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে ক্রিয়াকলাপে ভুল বোঝাবুঝি এবং ম্যাপের ভুল. আফগানিস্তানের দিকে যাত্রাপথ খোলার অপেক্ষায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আপাতত সেখানে মালপত্র পাঠাচ্ছে বিমানে, রাশিয়ার আকাশ-সীমা হয়ে.