ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব সইদ জালালী বাগদাদে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থ “ছয় দেশের” সাথে আলাপ-আলোচনাকে উপকারী বলে মনে করেন, জানিয়েছে “প্রেস টিভি” টেলি-চ্যানেল. জালালীর কথায়, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এই যে, ইরাকের রাজধানীতে আলাপ-আলোচনা ইরানের পারমাণবিক সমস্যা সম্বন্ধে উভয় পক্ষকে পরস্পরের স্থিতি ভাল করে জানার সুযোগ দিয়েছে. ইরান এবং মধ্যস্থ “ছয় দেশের” এ আলাপ-আলোচনার রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়েছিল বাগদাদে ২৩-২৪শে মে. পক্ষদ্বয় ইরানের দ্বারা ইউরেনিয়াম পরিশোধনের, বিশেষ করে ২০ শতাংশ পর্যন্ত পরিশোধনের কর্মসূচি সম্পর্কে সমঝোতায় আসতে পারে নি, যা বন্ধ করার উপর জোর দিচ্ছিল “ছয় দেশ”. পাশ্চাত্যের মতে, এমন ইউরেনিয়াম ভবিষ্যতে আরও পরিশোধন করে পারমাণবিক বোমা তৈরীর জন্য ব্যবহৃত হতে পারে. ইরানী পক্ষ জোর দিয়ে বলেছে যে, তার ইউরেনিয়াম পরিশোধনের অধিকার আছে, যা তার প্রয়োজন ক্যান্সার রোগীদের চিকিত্সার জন্য, পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর অভিপ্রায় তার মোটেই নেই. তেহেরান আলাপ-আলোচনায় তার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোসঙ্ঘের দ্বারা প্রবর্তিত বাধানিষেধ বাতিল করার প্রশ্নও তুলছে. পক্ষদ্বয় ২০১২ সালের ১৮-১৯শে জুন মস্কোয় আলাপ-আলোচনা ক্রমানুবর্তন করা সম্বন্ধে সমঝোতায় এসেছে.