ব্লুমবর্গ সংস্থা এই খবর দিয়েছে. এই দেশে মানুষের জীবনের গড় দৈর্ঘ্য প্রায় ৮২ বছর, যা এই সংস্থার বাকী সমস্ত দেশের চেয়ে দুই বছর বেশী. ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সের শতকরা ৭২ ভাগের বেশী মানুষই অস্ট্রেলিয়াতে কাজে নিযুক্ত, বাকী দেশ গুলিতে গড়ে এই সূচক শতকরা ৬৬ ভাগ. একই সঙ্গে দশটি দেশের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া একমাত্র দেশ, যারা ২০০৯ সালের অর্থনৈতিক মন্দা এড়াতে পেরেছে. আগামী আর্থিক বছরে, যা ১লা জুলাই শুরু হতে চলেছে, দেশের সরকার আশা করেছে বাজেট উদ্বৃত্ত অবস্থায় পৌঁছতে পারবে. দেশের খনিজ উত্তোলন শিল্পে বিনিয়োগের ধূম অস্ট্রেলিয়াতে কর্ম সংস্থানের সুবিধা করে দিয়েছিল, যার ফলে দেশে বেকারত্বের সূচক শতকরা ৫ শতাংশের চেয়ে কম, যদিও অস্ট্রেলিয়ার ডলারের তুলনা মূলক মূল্য বেশী হওয়াতে এই দেশের পর্যটন শিল্পে ও উত্পাদনের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল.

 জীবন যাত্রার মানের রেটিং করার জন্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বিকাশ সংস্থা ১১টি সূচক ব্যবহার করে. প্রথম দশের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার পরে রয়েছে নরওয়ে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সুইডেন, ডেনমার্ক, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড ও লক্সেমবর্গ.