0তেহেরান সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আসদের শাসনকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করছে, সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল রপ্তানিতে সাহায্য করেও. বৃটেনের “ফাইন্যানশিয়াল টাইমস” পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, ইরানের রাষ্ট্রীয় জাহাজ চলাচল কোম্পানি “ইস্লামিক রিপাবলিক ইন্টারন্যাশানাল শিপিং লাইনসের” একটি ট্যাঙ্কার নিয়মিত পতাকা এবং অবস্থান বন্দর বদল করে, জাল দলিল ব্যবহার করে নিয়মিত সিরিয়া থেকে ইরানে ওমান উপসাগর হয়ে তেল নিয়ে আসে. বিগত এক বছরে সিরিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রবর্তন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোসঙ্ঘ এবং একসারি আরব দেশ. বিশ্লেষকদের মতে, এ সব ব্যবস্থার ফলে সিরিয়ায় মোট আভ্যন্তরীন উত্পাদন কমেছে ২-১০ শতাংশ (বিশ্বস্ত তথ্যের অনুপস্থিতিতে আরও সঠিক মূল্যায়ন করা কঠিন), আর সিরিয়ার পাউন্ড মুদ্রা বিগত কয়েক মাসে এক-তৃতীয়াংশ সস্তা হয়েছে. সিরিয়ায় রাজনৈতিক আন্দোলন শুরু হওয়ার আগে তৈল-শিল্প দেশের মোট আভ্যন্তরীন উত্পাদনের ২০ শতাংশ সুনিশ্চিত করত. আগে জানানো হয়েছিল যে, সিরিয়া ইরানী অস্ত্র সরবরাহের মুখ্য জায়গা হিসেবে বজায় রয়েছে, রাষ্ট্রসঙ্ঘের সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও, যা অনুযায়ী ইরান থেকে অস্ত্র রপ্তানি নিষিদ্ধ. এ সম্বন্ধে বলা হয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের গোপন রিপোর্টে, যা হাতে পেয়েছে বৃটিশ প্রচার মাধ্যম. সিরিয়া হল এ অঞ্চলে তেহেরানের প্রধান মিত্র-দেশ.