ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির প্রধানেরা গ্রীসে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধির পটভূমিতে ইউরো-এলাকা থেকে গ্রীসের বের হওয়ার সম্ভাবনা সম্বন্ধে খোলাখুলি মত প্রকাশ করতে শুরু করেছেন. জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের প্রধান ইয়েন্স ওয়াইডম্যান বলেছেন যে, এ সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে গ্রীসের রাজনীতিজ্ঞদের উপর, তবে এ দেশ যদি আর্থিক সাহায্যের শর্ত পুরণ না করে, তাহলে অতিরিক্ত কোনো অর্থ সে পাবে না. তাঁর আয়ারল্যান্ডের সহকর্মী প্যাট্রিক হোনোহান উল্লেখ করেন যে, ইউরো-এলাকা থেকে গ্রীসের বের হওয়া মুদ্রা সঙ্ঘের জন্য ব্যথাজনক হবে, তবে তা মর্মান্তিক নয়. সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের উপ-প্রধান পের ইয়ানসন “ব্লুমবার্গ” সংবাদ এজেন্সিকে বলেছেন যে, ইউরোপের দেশগুলির আর্থিক কর্তৃপক্ষ  ইউরো-এলাকা থেকে গ্রীসের বের হওয়ার সম্ভাব্য পরিণতি ইতিমধ্যেই আলোচনা করছেন. গ্রীসে ৬ই মে অনুষ্ঠিত পার্লামেন্টারী নির্বাচনে একছত্র বিজয়ী কেউ হতে পারে নি, তবে অনেক ভোট পেয়েছে সেই সব রাজনৈতিক শক্তি, যারা কঠোর ব্যয় সঙ্কোচ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করছে. বিপর্যয়কর ঋণের সঙ্কটে পড়া এ দেশের প্রতি ইউরোসঙ্ঘ এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাহায্য কঠোর ব্যয় সঙ্কোচের ক্ষেত্রেই দেওয়ার কথা. গ্রীসে কোয়ালিশন সরকার গঠনের চেষ্টা, উপরন্তু যা এথেন্সের দ্বারা গৃহীত বাধ্যবাধকতা সমর্থনে প্রস্তুত, এখনও সফল হয় নি. আর আর্থিক সাহায্য ছাড়া গ্রীস “ডিফল্ট” ঘোষণা করতে বাধ্য হবে.