রুশী বিমান ” সুখই সুপারজেট -১০০” ইন্দোনেশিয়ার যে স্থানে বিধ্বস্ত হয়েছে সেখান থেকে পাইলটের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে. মস্কো সময় আজ দুপুর ২ টা পর্যন্ত উদ্ধারকর্মীরা ৫ জনের লাশ উদ্ধার করেছে. বর্তমানে শুধু ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকর্মীরাই উদ্ধারকাজ পরিচালনা করছেন. রাশিয়ার জরুরি সহায়তা মন্ত্রনালয়ের উদ্ধারকর্মীরা যারা ইতিমধ্যে জাকার্তা পৌঁছেছেন তাঁরা বিলম্বে উদ্ধারকাজে অংশ নিবেন.

       আজ রোববার ভোরে ইন্দোনেশিয়ার পুলিশ ও বিশেষ উদ্ধার বাহিনীর কর্মীদের একটি দল ইয়াভা দ্বীপের পশ্চিমে সালাক পাহাড়ের চুড়ায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে. ওই স্থানেই ” সুখই সুপারজেট -১০০” বিমানের ভগ্নাংশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে. সেখানে পৌছানোর পরই উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হয়. যে স্থানে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছিল সেখানে উদ্ধারকর্মীদের পায়ে হেটে পৌঁছাতে হয়েছে. এ খবর জানিয়েছেন রাশিয়ার জরুরি সহায়তা মন্ত্রনলয়ের তথ্য নিয়ন্ত্রণ বিভাগের পরিচালক ইরিনা আন্দ্রিয়ানোভা. তিনি বলেছেন, ”বিমানটি যে স্থানে বিধ্বস্ত হয়েছে সেখানে বিরুপ আবহাওয়ার কারণে  স্বাভাবিক উদ্ধার তত্পরতা চালিয়ে যেতে অনেক কষ্ট হচ্ছে. তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে, আবহাওয়া এখনও যথেষ্ট প্রতিকুলে রয়েছে. তাই বর্তমানে উদ্ধারকাজ শুধুমাত্র সমতল ভূমিতে করা সম্ভব হচ্ছে”.

       রাশিয়ার জরুরি সহায়তা মন্ত্রনালয়ের উদ্ধারকর্মীরা যারা ইতিমধ্যে জাকার্তা পৌঁছেছেন তাঁরা বিলম্বে উদ্ধারকাজে অংশ নিবেন, তবে মনোবিজ্ঞানীরা তাদের কাজ শুরু করেছেন. বলেছেন ইরিনা আন্দ্রিয়ানোভা.

     ”রুশী  ” সুখই সুপারজেট -১০০” বিমান ইন্দোনেশিয়ার পাহাড়ে ভেঙ্গে পড়ে. অন্যদিকে বিমানবন্দরে নিহতদের আত্বীয়স্বজন ও বিমান কোম্পানীর প্রতিনিধিদের মানসিক সাহস যোগাতে কাজ করছেন রুশী মনোবিজ্ঞানীরা এবং এ কাজ চালিয়ে যাওয়া হবে. ওই বিমানে নিহতদের পরিবারের সদস্যবর্গ যারা রাশিয়ায় বসবাস করছেন তাদেরকে অনুরূপ মানসিক সাহস দেওয়ার কাজ করছেন রাশিয়ার জরুরি সহায়তা মন্ত্রণালয়”.

     উল্লেখ্য,  গত ৯ মে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানীর পশ্চিমে একটি পাহাড়ী এলাকায় ” সুখই সুপারজেট -১০০”  বিমানটি বিধ্বস্ত হয়. বর্তমানে উদ্ধারকর্মীদের প্রধান কাজ শুধুমাত্র নিহতদের লাশ উদ্ধার করাই নয় বরং বিমানের ব্লাক বক্স খুঁজে বের করা. কি কারণে এ দুর্ঘটনাটি ঘটল তার পূর্ন তদন্তের  কাজ শুরু করার জন্য যা একান্ত প্রয়োজন.