ইউরোপীয় সঙ্ঘের বৈদেশিক ব্যাপার সংক্রান্ত পরিষদ সোমবার আফগানিস্তান বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, “যা চিকাগো-তে ন্যাটো জোটের আসন্ন শীর্ষ সাক্ষাত্ উপলক্ষে কাজের মুখ্য সব ধারা সুনির্দিষ্ট করবে”, নাম না জানানোর শর্তে জানিয়েছেন ইউরোসঙ্ঘের উচ্চপদস্থ এক কূটনীতিজ্ঞ. তাঁর কথায়, ভাবী সিদ্ধান্তের খসড়া প্রধাণত উত্সর্গীত থাকবে সহযোগিতা ও সাহায্যের প্রশ্নের প্রতি, যা আফগানিস্তান আগামী কয়েক বছরে পাবে, বিশেষ করে ২০১৪ সালের পরে, যখন বেশির ভাগ আন্তর্জাতিক বাহিনী এ দেশ ছেড়ে যাবে. আফগান বিষয়ের আলোচনা পরপর দ্বিতীয় বার ইউরোসঙ্ঘের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে আলোচনা তাছাড়া কাবুলে ১৪ই জুন আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশগুলির আঞ্চলিক সহযোগিতা বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ে সাক্ষাত্, এবং ৮ই জুলাই টোকিও-তে আফগানিস্তানের সাথে সহযোগিতা সম্পর্কে অর্থ-দাতাদের সম্মেলনের সাথে জড়িত. কূটনীতিজ্ঞ মনে করিয়ে দেন ২০১৪ সালের পরে আফগানিস্তানকে আর্থিক সাহায্য দান সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার চিঠির কথা, যে সাহায্য আন্তর্জাতিক অর্থনীতি এ দেশের নিরাপত্তা বাহিনীকে দিতে পারে, যাতে এ বাহিনী শান্তি বজায় রাখতে সক্ষম হয়. ইউরোসঙ্ঘ আফগান পুলিশকে সাহায্য করছে ট্রাস্ট তহবিলের মারফত এবং কর্মীদের তালিম দেওয়ার মারফত. তা সম্ভব দুই ধারায়. প্রথমত, ইউরোসঙ্ঘের সদস্য দেশগুলির দ্বিপাক্ষিক সাহায্যের ধারায়. দ্বিতীয়ত, ইউরোপীয় সঙ্ঘের সঙ্গতিতে. কূটনীতিজ্ঞ এ সাহায্যে  ইউরোসঙ্ঘের “বেশি অবদান আনার” পরিকল্পনা সম্বন্ধে আশ্বাস দেন, কিন্তু উল্লেখ করেন যে, এ হবে কয়েক বছরে বিভাজিত আর্থিক সাহায্য.