সিরিয়াতে বিগত পঞ্চাশ বছরের মধ্যে প্রথমবার গণতান্ত্রিক ভাবে জনগনের সভা (পার্লামেন্ট) নির্বাচন বহু দলীয় ভিত্তিতে নির্বাচন শুরু হয়েছে. ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে নতুন করে গৃহীত সংবিধানের ভিত্তিতে সমাজে “নেতৃত্বের অধিকারী ও দিক নির্দেশ কারী শক্তি” হিসাবে ক্ষমতাসীন দল ‘বাস’ এই নির্বাচনে বাকি দল গুলির সাথে একই রকমের অবস্থান থেকে অংশ নিচ্ছে. পার্লামেন্টে ২৫০টি সদস্য পদের জন্য ৭১৯৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন পেয়েছেন, এঁদের মধ্যে ৭১০ জন – মহিলা, তাছাড়া ঐতিহ্য মেনেই এই ২৫০টি পদের মধ্যে অর্ধেক শ্রমিক ও কৃষক প্রতিনিধিদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়ে থাকে. এখানে ভোট দেওয়ার অধিকার রাখেন “প্রত্যেক সিরিয়ার নাগরিক, যাদের বয়স আঠারোর বেশী, শুধু পরিষেবায় রত পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর কর্মীরা ছাড়া”. সিরিয়ার টেলিভিশনে পঞ্চাশটি ভোট গ্রহণ কেন্দ্র থেকে সরাসরি প্রচার করা হচ্ছে. সিরিয়াতে ভোটের দিন ছুটির দিন বলে ঘোষিত হয় না. সিরিয়ার সরকার আশ্বাস দিয়েছেন যে, এই নির্বাচন হবে “স্বাধীন, স্বচ্ছ ও সত্”. নিজেদের পক্ষ থেকে এই নির্বাচনকে যারা বয়কট করেছেন, সেই বিরোধী পক্ষের লোকরা মনে করেন যে, এক বছরেরও বেশী সময় ধরে চলা বিশৃঙ্খলার মধ্যে স্বাধীন নির্বাচন করা সম্ভব নয়.