রাশিয়ার কোনো রাষ্ট্রপতিই কুরিল দ্বীপপুঞ্জের একটি দ্বীপও জাপানকে হস্তান্তর করতে যাবে না, “রিয়া নোভস্তি” সংবাদ এজেন্সিকে বলেছেন ক্রেমলিনের এক উচ্চপদস্থ উত্স. তিনি উল্লেখ করেন যে, জাপান এ বিতর্কমূলক দ্বীপগুলি পাওয়ার ঐতিহাসিক সুযোগ আগেই হারিয়েছে. মস্কো ও টোকিওর সম্পর্ক দীর্ঘকাল ধরে তথাকথিত “দক্ষিণ কুরিল সমস্যা” নিয়ে তিমিরাচ্ছন্ন রয়েছে. জাপান দাবি করছে চারটি দ্বীপের – ইতুরুপ, কুনাশির, শিকোতান এবং হাবোমাই, ১৮৫৫ সালের বাণিজ্য ও সীমানা সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক নিয়মের উদ্ধৃতি দিয়ে. মস্কোর অবস্থান হল এই যে, দক্ষিণ কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের ভিত্তিতে এবং এ সব দ্বীপের উপর রাশিয়ার সার্বভৌমত্ব যথাযথ আন্তর্জাতিক বিধানের দ্বারা সূত্রবদ্ধ, এবং তা সন্দেহের অবকাশ রাখে না.