স্থানীয় প্রচার মাধ্যম বুধবার জানিয়েছে যে, আশা করা হচ্ছে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত আইনের মান লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রজা গিলানীর মামলায় রায় দেবে. গিলানী দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যিনি আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াচ্ছেন তৃতীয় বার. এর আগে তিনি এ মামলায় আদালতে এসেছিলেন ১৯শে জানুয়ারী এবং ১৩ই ফেব্রুয়ারী. তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে বর্তমান রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারীর বিরুদ্ধে পুরনো ফৌজদারী মামলা পুনরারম্ভ করতে অস্বীকার করার, যাঁকে দূর্নীতিপরায়ণতায় জড়িত থাকার সন্দেহ করা হচ্ছে. ২০০৭ সালে পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষ রাজক্ষমা দানের নির্দেশনামা স্বাক্ষর করেছিল, যা দূর্নীতির মামলায় জড়িতদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, বিশেষ করে জারদারীর ক্ষেত্রে, যিনি পরে দেশের রাষ্ট্রপতি হন. ২০০৯ সালে সর্বোচ্চ আদালত ক্ষমাদান বাতিল করার দাবি করে, কিন্তু সরকার এখনও পর্যন্ত এ নির্দেশ পালন করে নি. আগে গিলানী বিধানিক মান লঙ্ঘনে নিজেকে দোষী মানতে অস্বীকার করেন. যদি তাঁকে দোষী বলে সাব্যস্ত করা হয় তাহলে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ ত্যাগ করতে হবে. তাছাড়া তাঁর ছয় মাসের জেলও হতে পারে.