রাশিয়ার সাথে যোগাযোগে সিরিয়ার নেতৃবৃন্দের প্রতিনিধিরা স্বীকার করেছেন যে, দেশে সংস্কার সাধনে ভীষণ দেরি করে ফেলেছেন. এ সম্বন্ধে ইতার-তাস সংবাদ এজেন্সিকে বলেছেন নিকট প্রাচ্য সংক্রান্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির বিশেষ প্রতিনিধি মিখাইল বগদানোভ. তাঁর কথায়, মিশরে, টিউনিশিয়ায়, লিবিয়ায় ও সিরিয়ায় ব্যাপক আন্দোলনের কারণ ছিল জমে ওঠা সামাজিক-অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক সমস্যাবলি, স্বাধীনতা না থাকা, দূর্নীতিপরায়ণতা, স্বজন-পোষণ এবং জনসাধারণের চাহিদা উপেক্ষা করা. কূটনীতিজ্ঞ মনে করেন, তবুও, অঞ্চলের একসারি দেশে ক্ষমতাসীন ব্যবস্থার পরিবর্তনে দেখা গিয়েছে তথাকথিত “রঙীন বিপ্লবের” বৈশিষ্ট্য, যাতে উত্সাহ দিয়েছে বিদেশী শক্তি. তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন যে, তিনি বলতে চান বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা ও প্রকৌশলের ব্যবহার, যা প্রাক্তন যুগোস্লাভিয়া ও সোভিয়েত-পরবর্তী এলাকায় “পরীক্ষিত” হয়েছে.