জাপানে সফরকালে মায়ানমারের (বর্মার) রাষ্ট্রপতি খেইন সেইন বলেছেন যে, বিরোধীদল থেকে নবনির্বাচিত সাংসদদের জন্য সংসদীয় শপথের বয়ান পরিবর্তন করবেন না. এই বিষয়ে তিনি জাপানে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন. রাষ্ট্রপ্রধান আরও জানিয়েছেন যে, মায়ানমারে গনতন্ত্রীকরণে কোনো আমূল পরিবর্তন নেই. এর আগেই অং সান সূ চি রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করেন যাতে ১ এপ্রিলের নির্বাচনে জয়লাভ করা বিরোধিদলের প্রতিনিধিদের জন্য সংসদীয় শপথের বয়ান পরিবর্তিত হয়, অর্থাত্ “সংবিধান সংরক্ষণের”বদলে যাতে “সংবিধান সম্মান করা”বলা হয়. বিরোধীরা এই পরিবর্তনের জন্য জোর দিয়ে বলছে কারণ দেশের সংবিধানের আমূল পরিবর্তন চায়.

এক বছর আগে, মায়ানমারের সামরিক শাসন অসামরিক সরকারকে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিল আর ১ এপ্রিল দেশে অতিরিক্ত সাংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যারখানে  বিরোধীদলের প্রার্থীরা বিপুল সাফল্য অর্জন করেছে. «জাতীয় গনতান্ত্রিক লীগ» নামে বিরোধীদল ২২ বছরে এই প্রথম বার সাংসদীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে. সামরিক শাসনের সময়ে «জাতীয় গনতান্ত্রিক লীগ» নিষিদ্ধ ছিল, আর বিরোধীদলের নেতা অং সান সূ চি নিজের বাড়িতে গৃহবন্দী ছিলেন.