ক্ষুদ্র ও মাঝারি মাপের কোম্পানী গুলির ভারত ও রাশিয়ার অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে বৃহত্ কোম্পানী গুলির চেয়ে কোন অংশে যেন কম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি না হয়. এই ক্ষুদ্র ও মাঝারি মাপের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গুলির ভারতীয় বাজারে আত্ম প্রকাশের সুযোগ করে দেওয়ার জন্যই আজ ভারতের মুম্বাই নগরীতে প্রথম যৌথ রাশিয়া- ভারত বাণিজ্য ভবনের দ্বারোদ্ঘাটন করা হয়েছে.

    রাশিয়া- ভারতের বাণিজ্য ভবন, রাশিয়ার দূতাবাস ও সর্ব ভারতীয় শিল্প সংগঠনের গত ১৯ মাস ধরে যৌথ প্রয়াসের ফলশ্রুতিতে তৈরী হয়েছে.

    আজ রাশিয়া ও ভারত সাধারণত বৃহত্ সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানায় থাকা কোম্পানী গুলির সম্ভাবনাকে ব্যবহার করছে – সেই গুলি যেমন ভারতের রাষ্ট্রীয় কোম্পানী খনিজ তেল ও গ্যাস নিগম, যাদের “সাখালিন – ১” প্রকল্পে অথবা ইম্পিরিয়াল এনার্জি খনিজ তেল কোম্পানীর শতকরা ২০ ভাগ শেয়ার রয়েছে ও যারা রাশিয়া সুদূর প্রাচ্যে তোমস্ক এলাকায় কাজ করছে. অথবা রাশিয়ার ব্যক্তি মালিকানায় থাকা কোম্পানী “সিস্টেমা হোল্ডিং”, যারা ভারতে “এমটিএস” ব্র্যান্ডে মোবাইল টেলিফোন পরিষেবা প্রসার করছে.

    রাশিয়া ও ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক ভাবেই মুম্বাই এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে. এই খানেই ১৯০০ সালে, যখন ভারত ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে, তখনই খোলা হয়েছিল প্রথম রুশ কূটনৈতিক মিশন, এই কথা উল্লেখ করে এই বাণিজ্য ভবনের দ্বারোদ্ঘাটন উত্সবে ভারতে অবস্থিত রুশ রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার কাদাকিন বলেছেন:

    “দুই দেশের নেতারা আমাদের সামনে এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য স্থাপন করেছেন: ২০১৫ সালের মধ্যেই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমান দ্বিগুণের বেশী বাড়িয়ে তোলার – দুই হাজার কোটি মার্কিন ডলার অর্থ মূল্যের সমান করার. মুম্বাই শহরে রাশিয়া- ভারত বাণিজ্য ভবন- এটা এই লক্ষ্য সাধনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়”.