আগামী ৬-৭ই জুন বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিতব্য শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ বৈঠকে সংস্থার বিকাশের মুখ্য অভিমুখগুলির স্ট্র্যাটেজি গৃহীত হবে. আজ বেইজিংয়ে রাশিয়ার সাংবাদিকদের এই তথ্য জুগিয়েছেন সংস্থাটির সাধারন সম্পাদক মুরাতবেক ইমানালিয়েভ. রাষ্ট্রপ্রধানরা শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সমস্যাবলী এবং বিশ্বে পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা করবেন. ইমানালিয়েভের কথায়, অন্যতম দুশ্চিন্তাকর প্রশ্ন হচ্ছে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি. ন্যাটো জোটের ফৌজ ঐ দেশ ছেড়ে যাওয়ার পরে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে. আফগানিস্তানকে পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় সংস্থায় গ্রহণ করলে, হয়তো সে দেশের কর্তৃপক্ষের সাথে আরও সক্রিয় সংলাপ চালানো সহজতর হবে. রেডিও রাশিয়া থেকে দেওয়া প্রশ্ন – ভারতকে শাংহাই সহযোগিতা সংস্থায় গ্রহণ করা হবে কিনা, তার উত্তরে সাধারন সম্পাদক বলেছেন, যে স্থায়ী সদস্য দেশগুলির কেউই এর বিরোধী নয়, তবে এই প্রশ্নটি নিয়ে আরও আলাপ-আলোচনার প্রয়োজন. ইমানলিয়েভের কথায়, সংস্থায় বাড়াবাড়ি রকমের আমলাতান্ত্রিকতা দূর করা দরকার, এবং সেজন্য বোধহয়, সেক্রেটারিয়েটের গঠন ও তার কর্মধারা বদল করতে হবে. শীর্ষ বৈঠকের চূড়ান্ত কর্মসূচী গৃহীত হবে ১২ই মে বেইজিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অধিবেশনে.