তেহেরান গ্রীসে তেল রপ্তানী মঙ্গলবার থেকে বন্ধ করেছে, ইরানের বিরুদ্ধে ইউরোসঙ্ঘের দেশগুলির দ্বারা প্রবর্তিত তেল সরবরাহে নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে. এ সম্বন্ধে মঙ্গলবার জানিয়েছে “ফ্রান্স প্রেস” সংবাদ এজেন্সি ইরানের তৈলমন্ত্রী রস্তাম রাস্সেমির বিবৃতির উদ্ধৃতি দিয়ে. কাস্সেমি সঠিক করে বলেন যে, “ইরান তেল ও তৈলজাত দ্রব্য বিক্রিতে সমস্যা অনুভব করছে না”. গত সপ্তাহে গ্রীসের জ্বালানী ও শক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি বলেন যে, তাঁর দেশ তেল সরবরাহের বিকল্প উত্স খুঁজছে, বিশেষ করে, রাশিয়া, ইরাক, সৌদি আরব ও লিবিয়া থেকে আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর চেষ্টা করছে, জানিয়েছে সংবাদ এজেন্সি. ইউরোসঙ্ঘের ২৭টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরান থেকে তেল সরবরাহে নিষেধাজ্ঞা প্রবর্তন অনুমোদন করেছে. নতুন নিষেধাজ্ঞা সারির কাঠামো অনুযায়ী, তেহেরানের কাছ থেকে তেল কেনা ইউরোসঙ্ঘের সমস্ত সদস্য দেশ পয়লা জুলাই থেকে এ দেশ থেকে আমদানি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করবে. গ্রীস ইরানের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞায় যোগ দিয়েছে, যা তেহেরানের দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্র সৃষ্টির কর্মসূচি বিকাশে তেহেরানের অনুমিত অভিপ্রায়ের সাথে জড়িত. এই নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই গ্রীসে জ্বালানীর মূল্যে যথেষ্ট বৃদ্ধি ঘটিয়েছে, আর গ্রীস এখন গভীর অর্থনৈতিক সঙ্কটে ভুগছে.