উত্তর কোরিয়া স্পুতনিক সহ বাহক রকেটের ক্ষেপণের প্রতি লক্ষ্য রাখবে রাশিয়ার মহাকাশ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা. এ সম্বন্ধে “ইন্টারফাক্স” সংবাদ এজেন্সিকে মঙ্গলবার বলেছেন রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর সদর দপ্তরের এক উত্স. এজেন্সির সংলাপীর তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়া উত্তর কোরিয়ার রকেট ক্ষেপণের সমস্ত পর্যায়ের প্রতি লক্ষ্য রাখবে, বাহক রকেট থেকে স্পুতনিকের আলাদা হওয়ার সময় পর্যন্ত. এই রকেট ক্ষেপণের প্রতি রাশিয়ার সামরিক কর্মীরা অতিরিক্ত মনোযোগ দেবেন এ জন্য যে, রকেটের যাত্রাপথ রাশিয়ার ভূভাগের কাছ দিয়ে যেতে পারে. রকেটের যাত্রাপথের বিচ্যুতি ঘটলে তা কুরিল দ্বীপপুঞ্জে গিয়ে পড়তে পারে. সেই উত্স উল্লেখ করেন যে, রাশিয়ার রকেটবিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উত্তর কোরিয়ার রকেট ধ্বংস করতেও প্রস্তুত, যদি তা যাত্রাপথ থেকে বিচ্যুত হয় এবং রাশিয়ার ভূভাগে পড়ার বিপদ থাকে. একই সঙ্গে, পেন্টাগনের প্রধান লেওন পানেট্টা উত্তর কোরিয়ার পরিকল্পিত রকেট ক্ষেপণ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী কিম কোয়ান জিনের সাথে আলোচনা করেছেন, জানিয়েছে “রয়টার” সংবাদ এজেন্সি. টেলিফোন আলাপে তাঁরা বলেন যে, উত্তর কোরিয়ার রকেট ক্ষেপণকে তাঁরা উত্তর কোরিয়ার দ্বারা গুরুতর প্ররোচনা এবং পিয়ং ইয়ংয়ের দ্বারা আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা ও রাষ্ট্রসঙ্ঘের সিদ্ধান্তের লঙ্ঘন বলে বিবেচনা করবেন. এর প্রাক্কালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়াকে নতুন পারমাণবিক পরীক্ষা পরিচালনা এবং স্পুতনিক ক্ষেপণ ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছিল. রাষ্ট্রসঙ্ঘে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি স্যুজান রাইস মনে করেন, উত্তর কোরিয়া যদি স্পুতনিক সহ রকেট ক্ষেপণ করে তাহলে উক্ত সমস্যা রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনার অজুহাত হবে. উত্তর কোরিয়া দেশের প্রতিষ্ঠাতা কিম ইর সেনের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১২-১৬ই এপ্রিলের মধ্যে পৃথিবীর নিকটবর্তী কক্ষপথে কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ ক্ষেপণের কথা সরকারীভাবে ঘোষণা করেছে. এ উপলক্ষ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, রাশিয়া, চীন.