রবিবার পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি ভারতে বেসরকারি সফরে এসেছেন আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছেন. গত ৭ বছরে এটি হচ্ছে দুই দেশের নেতাদের মধ্যে প্রথম সাক্ষাত্কার. বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই এই সাক্ষাত্কার বিষয়ে বলেছেন যে তা হচ্ছে “দুই দেশের মধ্যে অনেক দশক ধরে অব্যাহত উত্তেজনা কামানোর দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ”. “আমরা আমাদের দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি চাই”,- সিংহের সঙ্গে বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের বলেছেন জারদারি. এদিকে, মনমোহন সিংহও জানিয়েছেন যে, দুই দেশের ইচ্ছা – ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক যেন স্বাভাবিক হয়.  তিনি বলেছেন, “আমাদের অনেক সমস্যা রয়েছে, কিন্তু সব সমস্যার যুক্তিসঙ্গত আর বাস্তব সমাধান খুঁজেবার করার ইচ্ছা আমাদের আছে”. ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, নিকট ভবিষ্যতে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন আর সেখানে সফরে যাবেন, যখনই আলাপ-আলোচনার তারিখ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে.

 লণ্ডনের “ফাইনেনশ্ল টাইমস” পত্রিকা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ভারতীয় বিশেষজ্ঞ উদয় ভাস্কারের কথা উদ্ধৃত করে লিখেছে,“দুই দেশের সম্পর্কের প্রকৃতি বিবেচনায় রাখলে, এই সাক্ষাতের সাফল্য অতি গুরুত্বপূর্ণ নয়, কিন্তু উভয় পক্ষ সম্পর্ক স্থিতিশীল করার ইচ্ছা আবার প্রকাশ করছে. ভারত আর পাকিস্তানের জন্য এ হচ্ছে ইতিবাচক বিষয়”.

    পারমাণবিক অস্ত্রাধিকারী রাষ্ট্র, ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে, সম্পর্ক ২০০৮ সালের মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলার পরে খারাপ হয়. এই আক্রমণের জন্য ভারত পাকিস্তানের মুসলমান চরমপন্থীদের অভিযুক্ত করছে. কাশ্মীর নিয়ে বিতর্কও সমাধিত হয় নি.