জাপানের কর্তৃপক্ষ টোকিওতে রকেটবিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে উত্তর কোরিয়ার পরিকল্পিত স্পুতনিক ক্ষেপণের পটভূমিতে, জানিয়েছে স্থানীয় প্রচার মাধ্যম. উত্তর কোরিয়া ঘোষণা করেছে যে, এপ্রিলের মাঝামাঝি স্পুতনিক ক্ষেপণ করতে চায়, তারপরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পিয়ং ইয়ংকে খাদ্য সাহায্য দেওয়া বন্ধ করেছে. গত রবিবার অঞ্চলের দেশগুলির – দক্ষিণ কোরিয়া. জাপান ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা চীনে সাক্ষাত্ করেন উত্তর কোরিয়ার রকেট ক্ষেপণের সমস্যা আলোচনার জন্য.সাক্ষাতে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ান জেচি বলেন যে, অ়ঞ্চলের সমস্ত দেশ কোরিয়া উপদ্বীপে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং উত্তর-পূর্ব এশিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী সুনিশ্চিত করায় আগ্রহী. উত্তর কোরিয়ার সাথে সম্পর্ক মীমাংসায় চীন হল প্রধান মধ্যস্থ এবং পিয়ং ইয়ংয়ের প্রধান মিত্র-দেশ. মার্চ মাসে উত্তর কোরিয়া ঘোষণা করে যে, ১২ই থেকে ১৬ তারিখের মধ্যে দেশের প্রতিষ্ঠাতা কিম ইর সেনের জন্ম শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ ক্ষেপণ করতে চায়. কিন্তু পশ্চিমী বিশেষজ্ঞরা অনুমান করেন যে, প্রকৃতপক্ষে পিয়ং ইয়ং দূর পাল্লার ব্যালিস্টিক রকেটের পরবর্তী পরীক্ষা চালানোর পরিকল্পনা করছে. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া কক্ষপথে স্পুতনিক প্রেরণের পরিকল্পনার নিন্দে করেছে.