0পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারী ৮ই এপ্রিল ভারতে বেসরকারী সফর করবেন, সেখানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমনমোহন সিংয়ের সাথে সাক্ষাত্ করবেন. এর পরে জারদারী আজমীরে মুসলমানদের স্মৃতি-সৌধে যাবেন. এটি হবে ২০০৫ সাল থেকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপ্রধানের প্রথম ভারত সফর. দু দেশের মাঝে সম্পর্ক তীব্র হয়ে ওঠে ২০০৮ সালে ভারতের মুম্বাই শহরে একসারি সন্ত্রাসের পরে. সে সময়ে ভারতের নেতৃবৃন্দ এ সব সন্ত্রাসে জড়িত থাকার জন্য অভিযোগ তুলেছিল পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে.ভারতীয় বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, দু দেশের নেতারা ভারত-পাক সম্পর্কের কোনো স্পর্শ-কাতর বিষয় আলোচনা করবেন না. দিল্লির রাজনৈতিক গবেষণা কেন্দ্রের বিশ্লেষক ব্রহ্মা চিল্লানি “ইন্টারফাক্স” সংবাদ এজেন্সিকে শুক্রবার বলেছেন যে, জারদারীর ভারত সফর বিপুল মাত্রায় প্রতীকী চরিত্র ধারণ করে. চেল্লানি উল্লেখ করেন যে, জারদারীর দেশে বাস্তব শাসন ক্ষমতা নেই, আর পাকিস্তানে পররাষ্ট্র নীতির প্রশ্ন মীমাংসা করে সামরিক কর্মীরা. ভারতীয় বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে, কাশ্মীর অঞ্চলের বিতর্কমূলক প্রশ্নে এবং ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সামরিক ক্রিয়াকলাপের প্রশ্নে পক্ষদ্বয় কোনো অগ্রগতি অর্জন করতে পারবেন না. এদিকে, পাকিস্তানী বিশেষজ্ঞ হাসান আস্কারী উল্লেখ করেন যে, আসন্ন সফরের বিপুল গুরুত্ব রয়েছে. তিনি মনে করেন যে, জারদারী এবং সিংয়ের সাক্ষাত্ খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যদিও তা সরকারী সফর নয়. দু দেশের নেতাদের সাক্ষাতের সিদ্ধান্তের অর্থ এ সম্পর্ক ভালো অবস্থায় রয়েছে, বলেন আস্কারী.