ইয়েমেনে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ব্যবহার করে “আল-কাইদা” দেশের সশস্ত্র বাহিনীতে সফলভাবে ভাঙন ঘটাচ্ছে, বলেছেন ইয়েমেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মুহাম্মেদ নাসের আহমদ. দেশের পার্লামেন্টে ইয়েমেনী সৈনিকদের উপর জঙ্গীদের আক্রমণ সম্পর্কে বক্তৃতা দিয়ে, যার শেষ ঘটনাটি ঘটেছিল রবিবার, যখন সাত জন সৈনিক নিহত হয়েছিল, মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, “আল-কাইদা” দেশে সমাজের বিভাজন এবং দেশে শাসন ক্ষমতার জন্য ক্রমবিকশমান সংগ্রাম ব্যবহার করছে. আহমদ তাছাড়া জোর দিয়ে বলেন যে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে, যা অনুযায়ী, তিনি আশা করেন যে, দু সপ্তাহের মধ্যে সশস্ত্র বাহিনীতে ভাঙন প্রতিরোধ করা যাবে. তবে, তিনি তাঁর পরিকল্পনার মর্ম সঠিক করে বলেন নি. গত বছরের জানুয়ারীতে তখনকার রাষ্ট্রপতি আলি আব্দুল্লা সালেহ-র বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু হয়, যিনি দেশ শাসন করেছেন একনাগাড়ে প্রায় ৩০ বছর. তাঁর বিরুদ্ধে যায় কয়েকটি প্রভাবশালী উপজাতি. সঙ্ঘর্ষ প্রকৃতপক্ষে গৃহযুদ্ধে পরিণত হয়. এদিকে পরিস্থিতি সফলভাবে ব্যবহার করে রাডিক্যাল ধর্মীয় দলগুলি, যারা কয়েকটি শহর দখল করে সেখানে শরিয়তের শাসন প্রবর্তন করে. ফলে, সালেহ পদত্যাগ করতে সম্মত হন, নিজের এবং পরিবারের সকলের বিরুদ্ধে আদালতী ক্রিয়াকলাপ থেকে রক্ষার বিনিময়ে. এ বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে রাষ্ট্রপতির পদ গ্রহণ করেন আব্দুরাব্বি মানসুর, তার পরে “আনসার আশ-শরিয়া” জঙ্গী দল আরও বেশি হানা দিতে থাকে ইয়েমেনের সৈন্যবাহিনীর উপর, যার ফলে প্রায় ২০০ সৈনিক নিহত হয়েছে দু মাসেরও কম সময়ের মধ্যে.