আজ,রোববার ইস্তাম্বুলে তথাকথিত সিরিয়ার বন্ধুদের দ্বিতীয় সম্মেলন শুরু হচ্ছে. ঐ সম্মেলনে ৬০টি দেশ ও গোটা দশেক আন্তর্জাতিক সংস্থার উপস্থিতির প্রত্যাশা করা হচ্ছে. মুখ্য আলোচ্য বিষয় হবে জাতিসংঘ ও আরব রাষ্ট্রলীগের বিশেষ প্রতিনিধি কোফি আন্ননের বিতর্কের মীমাংসা সম্পর্কে পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা, এবং সরকারী দামাস্কাস কতখানি ঐ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পালন করছে, তা বিশ্লেষণ করা. আলোচ্যসূচীতে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে – যদি বাশার আসাদ পদত্যাগ করে, তাহলে বিরোধীদের অভিপ্রায় ও কার্যকলাপ সম্মন্ধে আলোচনা. আমেরিকা, তুরস্ক ও আরও কয়েকটি পশ্চিমী ও আরব রাষ্ট্র সিরিয়ার বিরোধীপক্ষকে যেমন আভ্যন্তরীন, তেমনই বাইরে থেকে সাহায্যদানের সম্ভাবনা বিবেচনা করে দেখবে. রাশিয়া আমন্ত্রণ পাওয়া সত্ত্বেও ঐ সম্মেলনে যোগদান না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে. রাশিয়ার মতে, এই সম্মেলন যদি সত্যিই সিরিয়ায় আভ্যন্তরীন সংলাপ শুরু করার প্রয়াস হয়, তাহলে শাসক কর্তৃপক্ষ সহ সংশ্লিষ্ট সবপক্ষকে ডাকা উচিত ছিল. জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের আরও এক স্থায়ী প্রতিনিধি চীনও সম্মেলনে যোগদান করতে অস্বীকার করেছে.