অন্য দেশের উপরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে শক্তি প্রয়োগের পদ্ধতি দিয়ে গণতন্ত্র চাপিয়ে দিলে বিশৃঙ্খলা তৈরী হয়. এই মন্তব্য প্রকাশ করেছেন মার্টিন সিফ, মস্কোর আমেরিকা ইউনিভার্সিটির সিনিয়র বৈজ্ঞানিক সহকর্মী. তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ২০০৩ সালে ইরাকে অবিলম্বে গণতন্ত্র চাপিয়ে দেওয়ার পরীক্ষা সেখানে গৃহযুদ্ধের আগুণ জ্বালাতে সাহায্য করেছিল, যার ফলে সাড়ে সাত লক্ষেরও বেশী মানুষের মৃত্যু হয়েছে. আর এটার সঙ্গে সেই এক লক্ষ মানুষের মৃত্যুর হিসাব না করেই, যারা ২০০৩ সালের মার্চ- এপ্রিল মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে ইরাকে অনুপ্রবেশের সময়ে হয়েছিল. তারপর থেকে শুরু হয়েছে সত্যিকারের মাত্স্যান্যায়. এই সবের জন্য ব্যয় করতে হয়েছে লক্ষ কোটি ডলার. কোন শিক্ষাই এর থেকে নেওয়া হয় নি. কোন রকমই নয়. এই ইতিহাস আজ আবার সিরিয়াতে পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে বলে বিশেষজ্ঞ মনে করেন. তাঁর কথামতো, পররাষ্ট্র সচিব হিলারি ক্লিন্টন সিরিয়াতে জোর করে প্রশাসনের পতন ঘটানো হলে যে, অনেক বড় মাপের যুদ্ধের বিপদ রয়েছে, তা নিয়ে কোন কিছুই শুনতে চাইছেন না.