জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ লিবিয়াকে সমর্থন করার জন্য মিশনের মেয়াদ আরও এক বছর বৃদ্ধি করেছে. সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ সম্পাদক বান কি মুনের রিপোর্টে এই প্রস্তাব উল্লেখ করা হযেছে.

 মিশনের কর্তব্যের মধ্যে পরে অস্ত্র প্রচার বন্ধ করা, নিরাপত্তা সুরক্ষিত করা. নিরাপত্তা পরিষদ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে দমনের ব্যাপারে, বেআইনি গ্রেপ্তারের ব্যাপারে, বিচারবিরোধী অত্যাচারের ব্যাপারে. জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, লিবিয়ার প্রাক্তণ তথাকথিত বিপ্লবীদের কারাগারে বিচার ও তদন্ত ছাড়া প্রায় ছয় হাজার লোক কারাবন্দী রয়েছে, যাদের মধ্যে অধিকাংশ ক্ষমতাচ্যুত মুয়াম্মার গদ্দাফির সমর্থক.

 

সিরিয়ার বিরোধীরা আবার জরুরী আন্তর্জাতিক অনুপ্রবেশের আবেদন জানিয়েছে

হোমসে সরকারী অত্যাচার বন্ধ করার জন্য গত সোমবার সিরিয়ার বিরোধীপক্ষ অবিলম্বে বিদেশী সামরিক অনুপ্রবেশের আবেদন জানিয়েছে. ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সিরীয় জাতীয় পরিষদের সূত্র ধরে ‘ইন্টারফ্যাক্স’ সংবাদসংস্থা এই খবর জানিয়েছে. সিরিয়ার বিরোধীপক্ষের অন্যতম নেতা জর্জ সারবির কথায়, দ্রুত আন্তর্জাতিক ও আরবীয় সশস্ত্র হস্তক্ষেপ অপরিহার্য, যাতে সিরিয়ার সামরিক শক্তি বিরোধীদের সশস্ত্রশক্তির উপর আক্রমণ করতে না পারে. সিরিয়ার জাতীয় পরিষদের সভাপতি বুরহান হালেয়ুন ঘোষণা করেছেন, যে – “যদি সত্যিই হত্যাকান্ড থেকে নিরস্ত হওয়ার লক্ষ্য পূরণ করতে হয়, তাহলে আন্তর্জাতিক জনসমাজ ও আরব রাষ্ট্রলীগের সদস্য রাষ্ট্ররা প্রতিশ্রুতি থেকে সক্রিয় কার্যকলাপে আসবে”. হালেয়ুন বলেছেন, যে ফেব্রুয়ারীর শেষে টিউনিশিয়ায় তথাকথিত ‘সিরিয়ার বন্ধুরা’ গোষ্ঠীর বৈঠকে ঐ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যেতে পারতো.