তথাকথিত ‘সিরিয়ার বন্ধুরা’ গোষ্ঠী সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আল-আসাদের শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানোর প্রক্রিয়া ত্বরাণ্বিত করার উপায় নিয়ে আলোচনা করার উদ্দেশ্যে আজ টিউনিশিয়ায় মিলিত হবে. রাশিয়া ও চীন ঐ সম্মেলনে যোগ দেবে না. ফেব্রুয়ারী মাসে রাশিয়া ও চীন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ঘোষণাপত্র অবরোধ করে দেওয়ার পরেই ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি নিকোলা সারকোজির উদ্যোগে ঐ গোষ্ঠী গঠন করা হয়. উদ্যোগটি সমর্থন করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট বৃটেন, আরব রাষ্ট্রলীগের সদস্য দেশগুলি – সবমিলিয়ে ৬০টার মতো দেশ. গ্রেট বৃটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগের কথায়, ঐ গোষ্ঠী বাশার আল-আসাদের উপর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ বাড়ানোর পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করবে. সামরিক অনুপ্রবেশের চিত্রনাট্য নিয়ে আপাততঃ চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে না.

     রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আলেক্সান্দর লুকাশেভিচ বলেছেন, যেদিকে ঘটনাবলী এগোচ্ছে, তা দেখে মনে হচ্ছে, যে আসাদের শাসনব্যবস্থাকে অবৈধ বলে ঘোষণা করা হবে এবং বিরোধীপক্ষকে মানবিক ও সামরিক সাহায্য দেওয়ার পথ সন্ধান করা শুরু হবে.