0কোরিয়া উপদ্বীপ অঞ্চলের পারমানবিক নিরস্ত্রীকরণ সমস্যা প্রসঙ্গে চিনের বেজিং শহরে আমেরিকা – উত্তর কোরিয়ার প্রথম দিনের বৈঠক বাস্তব বিষয় নিয়েই হয়েছে. এই বিষয়ে উত্তর কোরিয়া সমস্যা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ প্রতিনিধি গ্লেন ডেভিস বেজিং শহরে বৈঠক শেষে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করেছেন. বৃহস্পতিবারে ডেভিস ও উত্তর কোরিয়ার প্রথম সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী গে গোয়ানের দুই দিনের বৈঠকের প্রথম দিনের কাজ শেষ হয়েছে. দুই পক্ষ এখানে আলোচনা করছে ২০০৮ সালে থেমে যাওয়া “ছয় পক্ষের আলোচনা” নতুন করে শুরু করার সম্ভাবনা নিয়ে. আমেরিকার পক্ষ থেকে আলোচনা করতে আসা দলের প্রধানের কথামতো, এই আলোচনা হয়েছে ছয় ঘন্টা, আর এখানে অংশতঃ উত্তর কোরিয়াকে খাদ্য সহায়তা করা নিয়েও কথা হয়েছে. শুক্রবারে এই আলোচনা চালু থাকবে. এর আগে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা নিউ ইয়র্ক ও জেনেভা শহরে হয়েছিল ২০১১ সালে. বেজিং শহরের বর্তমানের আলোচনা – উত্তর কোরিয়ায় কিম চেন ইরের পুত্র কিম চেন ঈনের ক্ষমতায় আরোহণের পরে প্রথম. উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র হুন লেই “ছয় পক্ষের” আলোচনা দলের আলাদা করে নানা পক্ষের সঙ্গে আলোচনাকে সমর্থন করেছেন. উত্তর কোরিয়া ২০০৫ সালে নিজেদের পারমানবিক শক্তি সম্পন্ন রাষ্ট্র বলে ঘোষণা করেছে, ২০০৬ ও ২০০৯ সালে পারমানবিক অস্ত্রের পরীক্ষাও করেছে, যার ফলে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ এই দেশের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারী করেছে.কোরিয়া উপদ্বীপ অঞ্চলের পারমানবিক নিরস্ত্রীকরণ সমস্যা প্রসঙ্গে চিনের বেজিং শহরে আমেরিকা – উত্তর কোরিয়ার প্রথম দিনের বৈঠক বাস্তব বিষয় নিয়েই হয়েছে. এই বিষয়ে উত্তর কোরিয়া সমস্যা নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ প্রতিনিধি গ্লেন ডেভিস বেজিং শহরে বৈঠক শেষে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করেছেন. বৃহস্পতিবারে ডেভিস ও উত্তর কোরিয়ার প্রথম সহকারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী গে গোয়ানের দুই দিনের বৈঠকের প্রথম দিনের কাজ শেষ হয়েছে. দুই পক্ষ এখানে আলোচনা করছে ২০০৮ সালে থেমে যাওয়া “ছয় পক্ষের আলোচনা” নতুন করে শুরু করার সম্ভাবনা নিয়ে. আমেরিকার পক্ষ থেকে আলোচনা করতে আসা দলের প্রধানের কথামতো, এই আলোচনা হয়েছে ছয় ঘন্টা, আর এখানে অংশতঃ উত্তর কোরিয়াকে খাদ্য সহায়তা করা নিয়েও কথা হয়েছে. শুক্রবারে এই আলোচনা চালু থাকবে. এর আগে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা নিউ ইয়র্ক ও জেনেভা শহরে হয়েছিল ২০১১ সালে. বেজিং শহরের বর্তমানের আলোচনা – উত্তর কোরিয়ায় কিম চেন ইরের পুত্র কিম চেন ঈনের ক্ষমতায় আরোহণের পরে প্রথম. উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র হুন লেই “ছয় পক্ষের” আলোচনা দলের আলাদা করে নানা পক্ষের সঙ্গে আলোচনাকে সমর্থন করেছেন. উত্তর কোরিয়া ২০০৫ সালে নিজেদের পারমানবিক শক্তি সম্পন্ন রাষ্ট্র বলে ঘোষণা করেছে, ২০০৬ ও ২০০৯ সালে পারমানবিক অস্ত্রের পরীক্ষাও করেছে, যার ফলে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ এই দেশের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারী করেছে.