0এই দিনে রাশিয়ার লোকেরা দেশের সমস্ত সৈনিক, নাবিক ও ভেটেরানদের সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শন করে থাকেন. রাজধানী, বীরত্বের পদক প্রাপ্ত শহর ও সমস্ত কেন্দ্রীয় শহর গুলিতে কয়েক শোরও বেশী আনুষ্ঠানিক ঘটনা ঘটছে ও সাক্ষাত্কার হচ্ছে. সন্ধ্যায় উত্সবের স্যালুট হিসাবে আকাশে বাজী পোড়ানো হবে তিরিশ বার. এই কাজ করা হবে সমস্ত মৃত ও নিহত সৈনিক ও যারা বর্তমানে বেঁচে রয়েছেন, তাঁদের সকলের জন্যই. এই উত্সবের ইতিহাসে বহুবার নাম বদলানো হয়েছে. ১৯২২ সাল থেকে এটা ছিল লাল ফৌজের জন্ম দিবস, ১৯৪৬ সাল থেকে নাম ছিল সোভিয়েত সেনা বাহিনী ও সামরিক নৌবাহিনী দিবস. ১৯৯৫ সাল থেকে নাম দেওয়া হয়েছে পিতৃ ভূমির রক্ষী দিবস ও চরিত্র গত ভাবে এটি সমস্ত সত্য পুরুষকার সম্পন্ন মানুষ ও প্রসারিত অর্থে রক্ষাকর্তাদের জন্য নিবেদিত.