২০১১ সালে অভ্যুত্থানের সময় লিবিয়ার সে সময়কার বিদ্রোহীদের যেসব অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করা হয়েছিল, তা অতঃপর ঢালাও হারে চোরাচালানকারীরা মিশরে পাঠাচ্ছে. মিশরের ফৌজদারী অনুসন্ধান দপ্তরের প্রধান জেনারেল আহমেদ হেলমির সূত্র ধরে সেদেশের সংবাদপত্র আল-আহরাম আজ এই সম্পর্কে লিখেছে. লিবিয়া থেকে আনা চোরাচালানী অস্ত্রশস্ত্রের নিয়ন্ত্রণবিহীন কারবারের জন্যই দেশে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে. তার কথায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক পরিস্থিতি সামলানোর জন্য বিশেষ এক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যার আওতায় শহরগুলিতে রাস্তাঘাটে চক্কর দেওয়া পুলিশের সংখ্যা অনেক বাড়ানো হয়েছে, নিয়মিতভাবে বড় বড় সড়কগুলিতে, বিশেষতঃ যে সড়কটি লিবিয়ার সীমান্ত পর্যন্ত গেছে, সেখানে হানা দেওয়া হচ্ছে. গুন্ডাদের ঘাঁটিগুলিতে পুলিশি হানা দেওয়া হচ্ছে. এর সুবাদে পুলিশ ৬০০০ অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করেছে, ১৮ হাজার পলাতক অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে সমর্থ হয়েছে. আহমেদ হেলমি বলেছেন, যে যত শীঘ্র সম্ভব লিবিয়া থেকে অস্ত্র পাচারের পথগুলো আটকে দেওয়া অত্যন্ত জরুরী.