রাশিয়ার পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র আলেকজান্ডার লুকাশেভিচ এই বিষয়ে ঘোষণা করেছেন. তাঁর কথামতো, রুশ ভাষাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করার বিষয়ে গণভোটের ফলাফল অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা কাছেও পৌঁছনো দরকার, যাতে দেশের সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর লোকদের আইন সঙ্গত অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণের কাজ তারা করতে পারেন. রুশ পররাষ্ট্র দপ্তর মনে করে যে, গণভোটে যারা নিজেদের মাতৃভাষা হিসাবে রুশ ভাষাকে মানেন, সেই নাগরিকদের খুবই সক্রিয় অবস্থান লাতভিয়াকে একটি মাত্র ভাষা ও প্রজাতির দেশ বলে পরিণত করার প্রশাসনিক লক্ষ্যের প্রতি অসম্মতি প্রকাশের পরিচয়. প্রসঙ্গত এই গণভোট সম্পূর্ণ ভাবে দেশের মানুষদের মনোভাব প্রকাশ করে না, কারণ এই বাল্টিক সমুদ্র তীরের দেশে তিন লক্ষ উনিশ হাজার মানুষের নিজেদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা দেওয়া হয় নি. তাঁরা এই দেশের নাগরিকত্ব পান নি, যদিও তাঁদের অনেকেই লাতভিয়াতে জন্মেছেন অথবা প্রায় সারা জীবনই সেখানে কাটিয়েছেন. রিগার কাছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে যে, কেন রাশিয়ার সামাজিক সভার প্রতিনিধিদের এই ভোটের সময়ে পর্যবেক্ষক হতে দেওয়া হয় নি.