চীনের উপ-সভাপতি সি জিনপিন তার ওয়াশিংটন সফরের ঠিক প্রাক্কালে এশীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো থেকে আমেরিকাকে বিরত হতে বলেছেন. চীনের নেতা, যিনি সম্ভবতঃ খুব শীঘ্রই দেশের চেয়ারম্যানের আসন দখল করবেন, আমেরিকার কাছে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রকে অধিকতর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বাণ জানিযেছেন. সি জিনপিন আবারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যে চীনা ইউয়ানের বিনিময় হার নিয়ে বিদেশী শরিকদের দুশ্চিন্তা তারা বিবেচনা করে দেখবেন. ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’ সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে তিনি বলেছেন, যে প্রশান্ত মহাসাগরে আমেরিকা ও চীন – উভয়ের জন্যই “পর্যাপ্ত জায়গা” আছে. তবে সেইসাথেই তিনি উল্লেখ করেছেন, যে এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় অবস্থিত দেশগুলির আরো বেশি করে ‘অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি’ অর্জনের জন্য উদ্যোগ নেওয়া উচিত. “যখন জনসাধারন শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য ব্যাকুল, পরিকল্পনা করে সামরিক নিরাপত্তা, সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং শরিকদের সামরিক শক্তিবৃদ্ধিতে সহায়তা বৃদ্ধি –এটা আদৌ তা নয়, যা এই এলাকার অধিকাংশ দেশ কামনা করে.” এর আগে আমেরিকা ঘোষণা করেছে, যে সামরিক স্ট্র্যাটেজিতে ঐ এলাকায় নিজের স্থিতি আরো মজবুত করবে. আশা করা হচ্ছে, যে ২০১৩ সালে চেয়ারম্যান হু জিনটাও পদত্যাগ করার পরে সি জিনপিন তার আসন গ্রহণ করবেন. আজ তার আমেরিকা সফর শুরু হচ্ছে. আগামীকাল, মঙ্গলবার তিনি রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার সাথে সাক্ষাত করবেন. তিনি পেন্টাগনও পরিদর্শন করতে যাবেন, যেখানে সামরিক ক্ষেত্রে দুইদেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বাড়ানোর প্রসঙ্গ নিয়েও আলোচনা হবে.