বৃহস্পতিবারে রাশিয়ার পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র আলেকজান্ডার লুকাশেভিচ এই ঘোষণা করেছেন. দারফুর শহরে জনগনের বিরুদ্ধে এই অস্ত্র ব্যবহার করা হলে রাশিয়া এই ক্ষেত্রে কি ভাববে, এই প্রশ্নের উত্তরে মুখপাত্র জবাব দিয়েছেন. লুকাশেভিচ বলেছেন, “আমাদের দপ্তর খুবই মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করছে, যাতে আমাদের সুদান রাষ্ট্রে সরবরাহ করা অস্ত্র দারফুর শহরে ব্যবহার না করা হয়... একই সময়ে এটাও দেখা প্রয়োজন যে, দারফুর শহরে সরকার বিরোধী সশস্ত্র বাহিনী রয়েছে, যারা নানা রকমের অস্ত্র ব্যবহার করতেই পারে. তাদের হাতেও এই ধরনের অস্ত্র অন্য দেশ থেকে চোরাচালান হয়ে আসতে পারে. লিবিয়ার সঙ্কটের উত্তপ্ত অংশ পার হয়ে আসার পরে বহুল সংখ্যায় অস্ত্র এই দেশ থেকে সমগ্র অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে, এই কথা আজ আর কারও অজানা নয়”.

    দারফুর, - সুদানের পশ্চিমের অঞ্চল, যেখানে ২০০৩ সাল থেকে দেশের সরকার ও বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গীদের মধ্যে লড়াই চলছে. রাষ্ট্রসঙ্ঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে বিরোধে প্রাণ দিয়েছে তিন লক্ষ মানুষ. সুদানের সরকার বলেছে, এই সংখ্যা কয়েক হাজারের বেশী নয়.