0কূটনৈতিক মন্ত্রণালয়ের সারা বিশ্ব জুড়ে কাজ যেন খুবই ভাল করে সংযোজিত রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় নীতির প্রদর্শন হয়. এই বিষয়ে রাষ্ট্রপতি দিমিত্রি মেদভেদেভ পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাত্কারে ঘোষণা করেছেন.    কূটনৈতিক কর্মী দিবসের প্রাক্কালে দিমিত্রি মেদভেদেভ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেই সমস্ত কর্মীদের সঙ্গে দেখা করেছেন   , যাঁদের উচ্চ কূটনৈতিক পদ দেওয়া হয়েছে – নতুন উপ পররাষ্ট্র মন্ত্রী মিখাইল বগদানভ ও ইগর মার্গুলভ, এছাড়া জাপান, সুইজারল্যান্ড, স্পেন ও অন্য বহু রাষ্ট্রে রুশ রাষ্ট্রদূত যাঁরা হয়েছেন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার স্থায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গেও.         দিমিত্রি মেদভেদেভ পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মীদের তাঁদের পেশা উপলক্ষে উত্সবের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন ও উল্লেখ করেছেন যে, রাশিয়ার রাষ্ট্র ব্যবস্থায় কূটনীতি বহু পূর্ব থেকেই মজবুত ভিত্তি হয়েছিল. তিনি আরও বলেছেন:    “আমাদের কূটনীতিবিদ লোকেরা দেশের ভিতরে ও বাইরে দেশের স্বার্থ রক্ষা করেন বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ও বিভিন্ন মাধ্যমে, এর অধিকাংশই কূটনৈতিক উপায়ে. কিন্তু এমনও হয় – যে শুধু তা দিয়েই হয় না. বর্তমানে কূটনৈতিক পরিষেবা হল আমাদের সমস্ত পুরনো ঐতিহ্যেরই অংশ – তা যেমন আমাদের বিজয়ের, তেমনই আমাদের সমস্যা গুলিরও”.    রাষ্ট্রপতি এই ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণের ফল বলেছেন যে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক লোকদের পরিবর্তনশীল বিশ্বের পরিস্থিতিতে কাজ করতে হয়, বিশ্বের প্রক্রিয়া গুলিকে আগে থেকে অনুমান করতে হয় ও দেশের আভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল থাকতে হয়. তিনি আস্থা প্রকাশ করে বলেছেন যে, রাশিয়ার কূটনীতিজ্ঞদের এর জন্য সমস্ত রকমের বুদ্ধি প্রসূত ও সংস্থা সুলভ সম্ভাবনা রয়েছে. রাশিয়ার পররাষ্ট্র নীতির প্রাথমিক লক্ষ্য রাষ্ট্রপতি তাঁর বিগত জাতীয় সভার উদ্দেশ্যে ভাষণে উল্লেখ করেছেন, এই বিষয়ে মনে করিয়ে দিয়ে দিমিত্রি মেদভেদেভ কূটনীতিজ্ঞদের সেই গুলির উপরেই লক্ষ্য রেখে কাজ করতে নির্দেশ দিয়ে বলেছেন:    “আমি আপনাদের কাছ থেকে রাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক প্রশ্ন গুলি নিয়ে উদ্যোগ আশা করব. তার মধ্যে দেশের বাইরে আমাদের স্বার্থ বজায় রাখা ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রাধান্য স্বীকার করা রয়েছে, বিরোধ মীমাংসায় রাজনৈতিক – কূটনৈতিক মাধ্যম ব্যবহার করে সহযোগিতা করা, বিদেশের সহকর্মীদের সঙ্গে সমানাধিকারে সমভাবে লাভজনক ভিত্তিতে সহযোগী সুলভ সম্পর্ক তৈরী করা”.    রাষ্ট্রপতি বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন যে, সঙ্কটের পরিস্থিতি ও বিরোধ বিশ্বে কমছে না ও তার নিয়ন্ত্রণের জন্য শুধু সাধারন ব্যবস্থা দিয়েই চলবে না, এর জন্য বিশেষ ধরনের স্রষ্টার নজরও চাই. তিনি যোগ করেছেন:    “গত বছর ছিল খুবই উত্তেজনাময়. আরব বসন্তের পরিপার্শ্বিক ঘিরে জটিল পরিস্থিতি হয়েছিল, এখন ইরান, উত্তর কোরিয়া, সমগ্র আরব বিশ্ব ও সিরিয়াকে কেন্দ্র করে হচ্ছে. আর হ্যাঁ, বিশ্বে অন্যান্য উত্তপ্ত বিন্দুর সংখ্যাও যথেষ্টের চেয়ে বেশী”.    দিমিত্রি মেদভেদেভ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সক্রিয় ভাবে নিজেদের কাজে সম্পূর্ণ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেতে আহ্বান করেছেন, তার মধ্যে ইন্টারনেটের সম্ভাবনাও. আর তারই সঙ্গে রাশিয়ার বাইরে থাকা স্বদেশী মানুষের অধিকারের প্রসঙ্গে সংগ্রাম চালিয়ে যেতে বলেছেন. প্রাথমিক ভাবে তাঁদের জন্য, যাঁরা জটিল পরিস্থিতিতে পড়েছেন.    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান সের্গেই লাভরভ রাষ্ট্রপতিকে কূটনৈতিক পরিষেবার মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন, তার মধ্যে এই দপ্তরের কর্মীদের পেনশন বৃদ্ধির জন্যও ধন্যবাদ দিয়েছেন. তিনি বলেছেন:    “এটা একটা সঙ্কেত, যা দেশের কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে কূটনৈতিক পরিষেবার বিষয়ে বিশেষ মনোযোগের সমর্থন, কূটনীতির ভূমিকা, যা আধুনিক বিশ্বে রাশিয়ার কাজকে সমাধানের জন্য লক্ষ্য করে করা হচ্ছে সেই বিষয়কেই উল্লেখ করে”.    মন্ত্রণালয়ের প্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভকে ভরসা দিয়েছেন যে, প্রধান পররাষ্ট্র রাজনীতির দিক গুলিতে বিশ্লেষণ ও পূর্বাভাসের কাজ ও তারই সঙ্গে দপ্তরের উদ্যোগ বাড়িয়ে দেওয়া হবে. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মীরা এই বিষয়ে “উদ্বুদ্ধ” বলেছেন তিনি.