ইরানের উপরে আগ্রাসণের জন্য যে কোন দেশই, যাদের এলাকা থেকে ইরানের উপরে আঘাত হানা হবে, সেখানে ইরান আঘাত করবে. এই প্রসঙ্গে “ফার্স” সংবাদ সংস্থা ঐস্লামিক বিপ্লব প্রতিরক্ষা বাহিনীর ডেপুটি কম্যাণ্ডার হোসেইন সালামির কাছ থেকে পাওয়া খবর হিসাবে প্রকাশ করেছে. যারা সক্রিয়ভাবে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে সেই ইরানের উপরে আক্রমণের সম্ভাবনা ইজরায়েল বাদ দেয় নি. তেহরানকে সামরিক ব্যবস্থা দিয়ে শাস্তি দেওয়ার ভয় দেখাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যদি তারা ইউরোপীয় সঙ্ঘের পক্ষ থেকে নেওয়া খনিজ তেল সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞার প্রত্যুত্তরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে. ইরানের পার্শ্ববর্তী দেশ কুয়েইত, বাহরিন, কাতার, আরব আমীর শাহী ও ওমান দেশে বিমান, নৌবহর ও পদাতিক বাহিনীর ঘাঁটি রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের. পারস্য উপসাগরে রয়েছে মার্কিন নৌবহর, বিমানবাহী যুদ্ধ জাহাজ “আব্রাহাম লিঙ্কনের” নেতৃত্বে. আরব সাগরের উত্তরাঞ্চলে, ইরানের সমুদ্র তীরের কাছে সমুদ্রে পারমানবিক বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ “কার্ল উইনসন” আরও একটি নৌবহরের নেতৃত্বে রয়েছে.