কায়রোর ফুটবল ক্লাব আল-আহলি, যার ফুটবলারদের উপর পোর্ট-সাইদে ম্যাচের পরে প্রতিদ্বন্দী দলের সমর্থকেরা হামলা করেছে, সেই দলের সভাপতি হাসান হামদি তার দলের বিক্ষুব্ধ সমর্থকদের প্রতিশোধস্পৃহার ভয়ে নিজস্ব অফিস থেকে পালিয়েছে. আজ মিশরের দূরদর্শন এই সংবাদ দিয়েছে. সাতশোরও বেশি আল-আহলি ক্লাবের সমর্থক কায়রোর কেন্দ্রস্থলে ক্লাবের অফিস ঘেরাও করে ক্লাবের কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে মর্মন্তুদ ঘটনার কারণ সম্পর্কে ব্যাখ্যা এবং অবিলম্বে টপ-ম্যানেজারদের পদত্যাগের দাবী জানায়. ক্লাব থেকে সভাপতি ছাড়াও আরও কয়েকজন টপ-ম্যানেজার দেহরক্ষীদের প্রহরায় অফিস থেকে পালিয়েছে. মিশরের ফুটবল ফেডারেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় লীগের খেলা মুলতুবী রেখেছে.

     গতকাল পোর্ট-সাইদে কায়রোর ক্লাব আল-আহলি এবং স্থানীয় ক্লাব আল-মারসির ফুটবল ম্যাচ শেষ হওয়ার পরে মারামারি শুরু হয়. আল-মারসির সমর্থকেরা, যারা ৩-১ গোলে জিতেছে, মাঠে নেমে যাকে হাতের সামনে পেয়েছে, তাকেই মেরেছে. তারা আল-আহলির খেলোয়াড়দের এবং তাদের পর্তুগীজ কোচকেও পিটিয়েছে. সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, মারামারিতে ও আতঙ্কিত জনতার ভীড়ের চাপে অন্ততঃ ৭৪ জন মারা গেছে এবং প্রায় ১ হাজার দর্শক আহত হয়েছে.