0রাশিয়াতে আগ্রাসী ভিনদেশী বিদ্বেষ কমছে. এই সম্বন্ধে মস্কোর মানবাধিকার রক্ষা ব্যুরোর ডিরেক্টর আলেকজান্ডার ব্রোদ ঘোষণা করেছেন. তাঁর তথ্য অনুযায়ী ২০১১ সালে ১১০টি মারামারি হয়েছে জাতি দ্বন্দ্বে ও ধর্মীয় অসহনীয়তার কারণে, একই কারণে ২০১০ সালে এই ধরনের ঘটনা হয়েছিল ১৯৩টি. তা স্বত্ত্বেও জাতিগত প্রশ্ন দেশের কর্তৃপক্ষের মনোযোগের কেন্দ্রস্থলেই রয়েছে.


0    ২০১১ সালে ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী জাতি বিদ্বেষের ফলে মারা গিয়েছে ৩১ জন ও আহত হয়েছে ১২০ জন. এটাও অনেক, যদিও তা আগের বছর গুলির চেয়ে কম বলে ব্রোদ উল্লেখ করে বলেছেন:


0    "বিগত চার বছরে নানা ধরনের নাত্সী ও জাতি বিদ্বেষী ও মানব বিদ্বেষী চরম পন্থী দলের কাজকর্ম ও তাদের করা হত্যা ও মারধর কমেছে. এটার কারণ দেশের পুলিশ, আদালত সক্রিয়ভাবে এদের নির্মূল করতে শুরু করেছে. তদন্ত হচ্ছে এখন দ্রুত ও দরকারে যাবজ্জীবন কারাবাসের মতো সব চেয়ে বেশী শাস্তি এই অপরাধীদের দেওয়া হয়েছে, ফলে তাদের সেই ভয়ঙ্কর উল্লাসের আনন্দ আর নিষ্ঠুর হাসি অত বেশী করে দেখা যাচ্ছে না".


0    প্রসঙ্গতঃ, মানবাধিকার রক্ষা কর্মীরা উল্লেখ করেছেন যে, প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই জাতি বিদ্বেষী সব ধারণা গেড়ে বসে আছে. তবে দেশ যত উন্নত, তার সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যত ভাল, তত কমই তাদের বিদেশী বিদ্বেষ.


0    এই ক্ষেত্রে খুব বড় ভূমিকা নিয়ে থাকে শিক্ষা, এই কথা উল্লেখ করে ব্রোদ বলেছেন:


0    "খুবই ভাল হওয়া দরকার সর্ব স্তরের শিক্ষা, স্কুল পড়ুয়া, ছাত্র, বড় মানুষ সকলের জন্যই- তা দেওয়া উচিত্ সংবাদ মাধ্যম ব্যবহার করে, বই পত্রের মধ্য দিয়ে. আর অবশ্যই রাষ্ট্রের আইন সংক্রান্ত ভিত্তি নিয়েও চিন্তা করার দরকার রয়েছে, অংশতঃ অভিবাসনের নীতি প্রসঙ্গে".


0    বর্তমানে যখন নাগরিক সমাজ সুযোগ পেয়েছে বিভিন্ন ধরনের আইনের খসড়া তৈরী করার ও তা নিয়ে আলোচনা করার, তাই উচিত্ হবে নতুন করে জাতীয় নীতি নির্ধারণের, যেখানে বিদেশী বিদ্বেষের ধারণার কোন স্থান থাকবে না বলেই মানবাধিকার রক্ষা কর্মীরা বিশ্বাস করেন.