সিরিয়ায় সহিংসতা বন্ধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মরক্কো প্রস্তাবে সম্মতি জানাতে রাশিয়া প্রস্তুত নয়।তবে,রাশিয়া একই সাথে সিরিয়া সংকট সমাধানের পথ খুঁজে বের করার কাজ অব্যহত রাখবে।জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভিতালী চুরকিন গতকাল শুক্রবার নিরাপত্তা পরিষদের গোপনীয় বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।সিরিয়ায় বিক্ষোভ সহিংসতা বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ওই বৈঠকে আলোচনা হয়।চুরকিনের ভাষায়,নতুন এই মরক্কো প্রস্তাবে শুধুমাত্র বৈশিষ্টগত দিক উপেক্ষা করা হয় নি বরং রাশিয়া তা মেনে নিতে পারে না।অন্যদিকে প্রস্তাবে উল্লেখিত বিষয় যা মস্কোর নীতির সাথে যথেষ্ট অমিল রয়েছে।এখানে বলাবাহুল্য,প্রস্তাবে সিরিয়ায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও দেশটিতে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।প্রসঙ্গত,রাশিয়া ও চীন গতবছরের অক্টোবর মাসে সিরিয়া বিষয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবে ভেটো দেয়।সিরিয়ায় পুনরায় লিবিয়ার চিত্র পুনরাবৃত্তি ঘটবে এই ভেবে মস্কো সংশয় প্রকাশ করছে।গনমাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে চুরকিন বলেন,২০১১ সালের ৩ আগষ্ট জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সিরিয়া সংক্রান্ত যে ঘোষণা দিয়েছিল তাতে রাশিয়ার  পূর্ণ সমর্থন জানিয়।ওই ঘোষণায় বলা হয়,সিরিয়ার সংকট রাজনৈতিক আলোচনার মধ্য দিয়ে সিরিয়দেরই সমাধান করতে হবে।উল্লেখ্য,সিরিয়ায় গত ১০ মাস ধরে সরকারবিরোধী আন্দোলন চলছে।প্রতিদিনই দেশটি থেকে নিরীহ জনগনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে।সিরিয়ার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য দেশটিতে বর্তমানে আরব লীগের একটি প্রতিনিধি দল সফর করছেন।চুরকিন জানান,আমাদের এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে আরব লীগের প্রতিনিধি দলকে সমর্থন জানানো,তবে আমরা অনেকটা আশ্চার্যই হলাম কারণ নতুন এই মরক্কো প্রস্তাবে আরব লীগের প্রতিনিধিদের বক্তব্য অনেক সীমিত আকারে উল্লেখ করা হয়েছে।