বৃটিশ ও ইউরোপীয় আমলারা আমেরিকাকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছে, যে বৃটিশ পেট্রোলিয়াম সংস্থার নেতৃত্বে শাহ-দেনিজ নামক প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রকল্প, যা আজারবাইজানে বাস্তবায়িত হচ্ছে, তাকে যেন নিষেধাজ্ঞার আওতায় ফেলা না হয়. আজ মার্কিনী ‘ওয়াল স্ট্রীট জার্ণাল’ এই সম্পর্কে লিখেছে. কংগ্রেসের একজন পরামর্শবিদ সাংবাদিকদের বলেছেন, যে নিষেধাজ্ঞা জারী করে যতখানি সম্ভব ইরানের ক্ষতি করার ব্যাপারে কংগ্রেসে ঐক্যমত আছে, তবে সেটা যেন রাশিয়াকে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলিতে তেল ও গ্যাসের দাম অবাধে হাঁকাতে সাহায্য না করে. ইতিপূর্বে কোনো মার্কিনী কোম্পানী যাতে ইরানের খনিজতেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ে কাজ না করে, সেরকম প্রস্তাব বিবেচনা করে দেখা হয়েছিল. শাহ-দেনিজ প্রকল্পে ইরানের ১০ শতাংশ লগ্নি. তাছাড়াও ঐ প্রকল্পের অংশীদারদের মধ্যে আছে বৃটিশ পেট্রোলিয়াম, স্ট্যাট অয়েল, আজারবাইজানের গনকার কোম্পানী, রাশিয়ার লুকঅয়েল, ফ্রান্সের টোট্যাল ও তুরস্কের ট্রাও.