বিশ্বে পরাশক্তির দেশগুলো পুনরায় জানিয়েছে,ইরানের সাথে তাঁর পারমানবিক প্রকল্প নিয়ে  আলোচনা পূনরায় শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে।একই সাথে ইরানের পক্ষ থেকে আলোচনায় বসার ইতিবাচক সংকেতের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অপেক্ষা করছে।ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনৈতিক কেত্ররিন এশটন যিনি ইরানের সাথে ৬ জাতি আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার সমন্বয়কারির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি এসব কথা বলেন।কেত্ররিন জানান,ইরানের বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা ও ইরানের পারমানবিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান পরিচালনার যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকার পরও ইরানকে আলোচনায় বসার আহবান জানিয়েছেন।তিনি বলেন,আলোচনার পথ হবে খোলাখুলি।কেত্ররিন আরও বলেন,গতবছরের ২১ অক্টোবর আলোচনায় অংশগ্রহনকারিদের পক্ষ থেকে ই৩+৩ চিঠি ইরানী কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং এখন আমরা উত্তরের অপেক্ষা করছি।প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো ইরান থেকে তেল আমদানী বন্ধের ঘোষণা দিলে এর প্রতিত্তরে ইরান হরমুজ প্রনালী বন্ধের হুঁমকি দেয়।বিশ্বে তৈল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ একটি পথ হচ্ছে এই হরমুজ প্রনালী।এছাড়া ইরান সেদেশের পদার্থবিদ ও পরমানু বিজ্ঞানীকে হত্যার দায়ে ইসরাইলকে দোষারোপ করেছে।এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরগেই ল্যাভরোভ চলতি সপ্তাহে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তার উচ্চ কাউন্সিলের সহকারি আলী বাগেরী কেনীর সাথে বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।ওই সাক্ষাতে ল্যাভরোভ বলেন,যতদ্রুত ইরানের পারমানবিক প্রকল্প নিয়ে সৃষ্টি হওয়া সমস্যার সমাধানের একটি পথ বের করতে হবে।অন্যদিকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের সেক্রেটারী খাইলুন শুক্রবার বিইজিংএ আলী বাগেরী কেনীর সাথে অনুষ্ঠিত সাক্ষাতে বলেন,ইরানের সাথে ৬ জাতির বৈঠক আয়োজন করাই হচ্ছে তেহরানের পারমানবিক প্রকল্পের সমস্যা সমাধানের প্রাথমিক উদ্দেশ্য।